সুদানের দারফুরে হাসপাতালে হামলায় নিহত ৬৪, শিশুও রয়েছে
সুদানের হাসপাতালে হামলায় নিহত ৬৪, শিশুও রয়েছে

সুদানের দারফুরে হাসপাতালে হামলায় নিহত ৬৪, শিশুও রয়েছে

সুদানের দারফুর অঞ্চলের একটি হাসপাতালে ভয়াবহ হামলায় অন্তত ৬৪ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছেন ১৩ জন শিশু। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস শুক্রবার রাতে এই হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পূর্ব দারফুর রাজ্যের আল দেইন টিচিং হাসপাতালে এই হামলা চালানো হয়, যেখানে রোগী ও চিকিৎসা কর্মীদের মধ্যে নিহতদের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে।

হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ

এই হামলায় হাসপাতালের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে শিশু বিভাগ, প্রসূতি ও জরুরি ইউনিট সম্পূর্ণরূপে অকার্যকর হয়ে পড়েছে, যা স্থানীয় জনগণের জন্য অত্যাবশ্যক স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ করে দিয়েছে। হাসপাতালটি এখন সম্পূর্ণরূপে অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে, ফলে এলাকার বাসিন্দারা চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

নিহত ও আহতদের বিবরণ

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন দুইজন নার্স ও একজন ডাক্তারসহ চিকিৎসা কর্মীরা। এছাড়াও, হামলায় ৮৯ জন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে আটজন স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস এই হামলাকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে সংঘাত হ্রাস ও বেসামরিক জনগণের সুরক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সুদানের চলমান সংঘাত ও স্বাস্থ্যসেবায় আক্রমণ

এই সর্বশেষ ঘটনাটি সুদানের চলমান সংঘাতের সময় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে আক্রমণের ফলে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২,০০০-এর বেশি করে দিয়েছে। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানে সেনাবাহিনী ও প্যারামিলিটারি র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে সংঘাত চলছে, যা একটি বড় মানবিক সংকট সৃষ্টি করেছে। এই সংঘাতে হাজার হাজার মানুষ নিহত এবং লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

কোনো গোষ্ঠী এখন পর্যন্ত এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সুদানে তাত্ক্ষণিক সংঘাত হ্রাস এবং বেসামরিক নাগরিক, স্বাস্থ্যকর্মী ও মানবিক কর্মীদের সুরক্ষার জন্য জোরালো আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটি সুদানের স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামোর উপর ক্রমাগত আক্রমণকে গুরুতর উদ্বেগ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।