শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে ইউজিসি চেয়ারম্যান ও আট বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য নিয়োগ
ইউজিসি চেয়ারম্যান ও আট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে ইউজিসি চেয়ারম্যান ও আট বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য নিয়োগ

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সোমবার (১৭ মার্চ) একাধিক প্রজ্ঞাপন জারি করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানসহ আটটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছে। একইসঙ্গে পূর্ববর্তী উপাচার্যদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্যক্তিবর্গ

নিয়োগপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকা নিম্নরূপ:

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  • রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  • চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  • জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
  • বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
  • ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়
  • ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়
  • খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। এছাড়া, উপাচার্য হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম
  2. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়: অধ্যাপক রইস উদ্দিন
  3. উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়: ছিদ্দিকুর রহমান খান
  4. ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়: অধ্যাপক নুরুল ইসলাম
  5. খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট): অধ্যাপক মোহাম্মদ মাসুদ
  6. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: অধ্যাপক মো. আল ফোরকান
  7. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম

শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা ও প্রক্রিয়া

এর আগে, সোমবার (১৬ মার্চ) শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ইউজিসি চেয়ারম্যান এবং একসঙ্গে আট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের ঘোষণা দেন। এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করে, যা উচ্চশিক্ষা খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নতুন নিয়োগগুলো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই পদক্ষেপ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা ও নীতিনির্ধারণে নতুন গতিশীলতা আনতে পারে।