ইউল্যাব ও আইসিএমএবি'র মধ্যে ঐতিহাসিক চুক্তি: শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন দিগন্ত
ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব) এবং ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)-এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। সোমবার, ৯ মার্চ, ইউল্যাব ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো ইউল্যাবের গ্র্যাজুয়েটদের জন্য পেশাদার অ্যাকাউন্টিং খাতে প্রবেশের পথ আরও সুগম ও সহজলভ্য করা।
ক্রেডিট ট্রান্সফার ও ওয়েভার সুবিধার বিস্তারিত
ইউল্যাবের স্নাতক পর্যায়ের কারিকুলামের উচ্চমানের শিক্ষাগত মান বিবেচনায় নিয়ে, আইসিএমএবি তাদের সিএমএ (কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট) প্রোগ্রামে নির্দিষ্ট কিছু কোর্সে ক্রেডিট ট্রান্সফার ও ওয়েভার সুবিধা প্রদান করবে। এই উদ্যোগের ফলে হিসাববিজ্ঞান, ফিন্যান্স এবং ম্যানেজমেন্টে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। শিক্ষার্থীরা তাদের ইউল্যাব ডিগ্রির মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে সিএমএ প্রোগ্রামে দ্রুত অগ্রসর হতে পারবে, যা তাদের পেশাগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
এই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইউল্যাবের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক সামসাদ মর্তূজা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিলন কুমার ভট্টাচার্য এবং ইউল্যাব স্কুল অব বিজনেসের ডিন প্রফেসর সারওয়ার আহমেদ। আইসিএমএবি'র পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউটের সভাপতি মো. কাওসার আলম (এফসিএমএ), সহ-সভাপতি এস. এম. জহির উদ্দিন হায়দার (এফসিএমএ), কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. মুশফিকুর রহমান (এফসিএমএ) এবং সেক্রেটারি মনজুর মো. শাইফুল আজম (এফসিএমএ)। এছাড়াও, ইউল্যাবের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকরা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এই সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
শিক্ষা ও পেশাগত উন্নয়নে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা
এই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ইউল্যাবের একাডেমিক উৎকর্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের পেশাগত উন্নয়নে নিরন্তর প্রচেষ্টার একটি উজ্জ্বল প্রতিফলন। এটি শুধুমাত্র একটি চুক্তিই নয়, বরং উচ্চশিক্ষা ও পেশাদার প্রশিক্ষণের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করার একটি মাইলফলক। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে নতুন মাত্রা যোগ হবে এবং শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের অ্যাকাউন্টিং পেশায় প্রবেশের সুযোগ পাবে।
ইউল্যাব এবং আইসিএমএবি'র এই যৌথ প্রচেষ্টা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে দক্ষ পেশাদার তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই ধরনের সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন।
