কুমিল্লা-৫ আসনে বিএনপির হাজী জসিম উদ্দিন বিজয়ী
কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থী হাজী জসিম উদ্দিন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষিত হয়েছেন। তিনি ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৭০ ভোট পেয়ে জামায়াত প্রার্থীকে পরাজিত করেছেন।
কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থী হাজী জসিম উদ্দিন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষিত হয়েছেন। তিনি ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৭০ ভোট পেয়ে জামায়াত প্রার্থীকে পরাজিত করেছেন।
খুলনা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমীর এজাজ খান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর কৃষ্ণ নন্দীকে ৫০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনে বিএনপির প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান জামায়াতের রোকন রেজা শেখকে প্রায় ৭২ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। বেসরকারি ফলাফলে তিনি ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৫৪ ভোট পেয়েছেন।
ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭১৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এনসিপির প্রার্থী আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৭ ভোট।
নোয়াখালী-৫ আসনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ২৭ হাজার ৩৫৫ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮০৮ ভোট।
খুলনার ছয়টি সংসদীয় আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। চারটি আসনে বিএনপি ও দুটিতে জামায়াত জিতেছে, যেখানে হেভিওয়েট প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছেন।
ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মীর আহমাদ বিন কাসেম বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তিনি প্রয়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১ হাজার ১১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।
পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত রুহুল আমিন দুলাল বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন। তিনি ৬৩,১৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক দল ও প্রার্থী অংশ নেয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী রেজা কিবরিয়া বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষিত হয়েছেন। তিনি ১ লাখ ১১ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে ৫৫ হাজার ৮৬৭ ভোটে পরাজিত করেন। একই সঙ্গে গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোটের জয় হয়েছে।
ঢাকা-১৭ আসনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জয়ী হয়েছেন। তিনি ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়ে জামায়াতের ডা. খালিদুজ্জামানকে ৪ হাজার ৩৯৯ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
মাদারীপুর-১ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা ৩৮৫ ভোটে জয়ী হয়েছেন। বিএনপির নাদিরা আক্তার হেরেছেন। মাদারীপুর-২ ও ৩ আসনে বিএনপি বিজয়ী হয়েছে।
ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জয়ী হয়েছেন। তিনি ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানের চেয়ে ৪,৩৯৯ ভোট বেশি পেয়েছেন। ভোটের ফলাফল শুক্রবার ভোর পৌনে ৪টায় ঘোষণা করা হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাছুম মোস্তফা বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ৮১,২৫২ ভোট পেয়ে বিএনপির আবু তাহের তালুকদারকে ৭৮,৬৭৯ ভোটে পরাজিত করেছেন।
ঢাকা-১৭ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জয়ী হয়েছেন। তিনি ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়ে জামায়াতের প্রার্থীর চেয়ে ৪ হাজার ৩৯৯ ভোট এগিয়ে আছেন।
ঢাকা-১৩ আসনের প্রার্থী মাওলানা মামুনুল হক নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দাখিল করেছেন। তিনি দাবি করেন, ব্যালটে নামের অবস্থানের কারণে তার তিন হাজার ভোট বাতিল হয়েছে, যা বৈধ হলে তিনি জয়ী হবেন।
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুফতি আমির হামজা ১ লাখ ৮০ হাজার ৬৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। বিএনপি প্রার্থী জাকির হোসেন সরকারের চেয়ে তিনি ৫৩ হাজার ৭৮১ ভোট এগিয়ে রয়েছেন। ভোটের হার ছিল ৭২.৯৫ শতাংশ।
ফরিদপুর-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭৯৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম ১ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ ভোট পেয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্দিষ্ট আসনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বা নির্বাচনি কারসাজির অভিযোগ করেছে বিএনপি। দলের মুখপাত্র মাহদী আমিন ঢাকা-৮, ঢাকা-১১সহ বেশ কিছু আসনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিলম্বের কথা উল্লেখ করেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। চাঁদপুর-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ হান্নান জয়ী হয়েছেন। জেলার ৭১১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি এনসিপির নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীকে ৫ হাজার ২৩৯ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
টাঙ্গাইলের আটটি সংসদীয় আসনের সাতটিতে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। একটিতে স্বতন্ত্র বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। বিস্তারিত ফলাফল জানুন।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ভোটের ফলাফল কারচুপির অভিযোগ তুলেছে, দাবি করেছে পরিকল্পিতভাবে ফল টেম্পারিং করা হচ্ছে এবং কয়েকটি আসনে পুনর্গণনা প্রয়োজন।
কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনে বিএনপির প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান জামায়াতের রোকন রেজা শেখকে প্রায় ৭২ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। বেসরকারি ফলাফলে তিনি ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৫৪ ভোট পেয়েছেন।
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বেসরকারি ফলাফলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপি প্রার্থীকে ১ লাখ ১ হাজার ৯৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
কুমিল্লা-৪ আসনে বিজয়ী হাসনাত আবদুল্লাহ তার বিজয় শহীদ ওসমান হাদিকে উৎসর্গ করেছেন। তিনি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর এবং ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনের ভোট গণনায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি দাবি করেন, ব্যালট পেপারে ফাঁকা জায়গায় সিল দেওয়ায় প্রায় ৩ হাজার ভোট বাতিল হয়েছে, যা ফল পরিবর্তনে ভূম
এনসিপি দাবি করেছে, কয়েকটি আসনে নির্বাচনের ফলাফল টেম্পারিংয়ের চেষ্টা চলছে। বিশেষ করে ১১ দলীয় জোটের নেতাদের প্রার্থী হওয়া আসনগুলোতে অসামঞ্জস্যের প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে বলে দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইয়া জানিয়েছেন।
ঢাকা-৮ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ। তিনি এনসিপির নাসির উদ্দিন পাটওয়ারীকে ৫ হাজার ২৩৯ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন।
ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা আব্বাস জয়ী হয়েছেন। তিনি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর চেয়ে ৫,২৩৯ ভোট বেশি পেয়েছেন। ভোট গণনায় জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে।
চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ড. আনম এহছানুল হক মিলন ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু নসর আশরাফী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট।