তারেক রহমানের 'ইঞ্জিনিয়ারিং' বক্তব্য: জনগণকে কনভেন্সড করাই লক্ষ্য
তারেক রহমানের 'ইঞ্জিনিয়ারিং' বক্তব্য: জনগণকে কনভেন্সড করাই লক্ষ্য

তারেক রহমানের 'ইঞ্জিনিয়ারিং' বক্তব্য: জনগণকে কনভেন্সড করাই মূল উদ্দেশ্য

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান একটি সংবাদ সম্মেলনে দলের 'ইঞ্জিনিয়ারিং' কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে জনগণকে কনভেন্সড করাটাই তাদের 'ইঞ্জিনিয়ারিং' এর মূল লক্ষ্য। এই প্রক্রিয়ায় জনগণকে দলের পক্ষে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে তারা সফলতা অর্জন করেছেন বলে দাবি করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনের প্রেক্ষাপট

শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান তার বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তিনি দেশ পরিচালনার কঠিন দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, বিএনপি এমন এক সময়ে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে যখন ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, অকার্যকর সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান এবং দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করতে হবে।

জনগণের শক্তি ও বিজয়ের তাৎপর্য

তারেক রহমান জোর দিয়ে বলেন, দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষ বিএনপিকে বিজয়ী করেছে। এই বিজয় কোনো একক দলের নয়, বরং এটি দেশের সাধারণ জনগণের বিজয়। তিনি উল্লেখ করেন, আজ থেকে তারা প্রকৃত অর্থেই স্বাধীন। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক সংসদ ও সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নতুন সরকারের লক্ষ্য ও প্রতিশ্রুতি

সরকারের দায়বদ্ধতা ও রাষ্ট্র সংস্কারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তারেক রহমান বলেন, নতুন সরকার হবে জনগণের কাছে সম্পূর্ণ জবাবদিহিমূলক। ফ্যাসিবাদের হাতে ধ্বংস হওয়া রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় সচল করাই হবে তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য। তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের শক্তি সঙ্গে থাকলে কোনো বাধাই তাদের রুখতে পারবে না।

অন্যান্য দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা

বিজয়-পরবর্তী এই আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত থাকা ৫১টি রাজনৈতিক দলসহ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং গণঅধিকার পরিষদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই সমর্থন ও অংশগ্রহণ নতুন সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।