স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবি: রমজানে পণ্যমূল্য স্থিতিশীল, সাধারণ মানুষ কষ্টে পড়েননি
স্বাস্থ্যমন্ত্রী: রমজানে পণ্যমূল্য বাড়েনি, মানুষ কষ্টে পড়েননি

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবি: রমজানে পণ্যমূল্য স্থিতিশীল ছিল, মানুষ কষ্টে পড়েননি

চলতি রমজানে কোনো ধরনের পণ্যমূল্য বৃদ্ধি হয়নি এবং সাধারণ মানুষ কষ্টে পড়েনি বলে দাবি করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। শনিবার (২১ মার্চ) নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার পীরপুর ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রীর মন্তব্য: সম্মিলিত সহযোগিতায় সফলতা

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, “সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় এবারের রমজানে কোনো দ্রব্যের দাম বাড়েনি। ফলে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে ছিলেন এবং কেউ কষ্ট অনুভব করেননি।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে সরকারের প্রচেষ্টায় দেশবাসীকে একটি শান্তিপূর্ণ ঈদ উপহার দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে, আমরা আশা করি এ ধারা অব্যাহত থাকবে।” তার মতে, এই স্থিতিশীলতা রমজান ও ঈদ উৎসবের সময় জনগণের আর্থিক চাপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে মন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি

স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, ইতোমধ্যে দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও জনমুখী করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করছি এবং ভবিষ্যতেও এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।”

মন্ত্রী আরও আশ্বাস দেন, স্বাস্থ্যখাতের যেকোনো সমস্যা সমাধানে সরকার প্রস্তুত রয়েছে এবং জনগণের সেবায় নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তার মতে, স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন ও জনসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঈদ উদযাপন ও সামাজিক স্থিতিশীলতা

ঈদের দিন মনোহরদীতে নামাজ শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সরকারি উদ্যোগের ফলে এবারের রমজান ও ঈদ উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে।

মন্ত্রীর মতে, এই সাফল্য সরকারের নীতিমালা ও জনগণের সহযোগিতার সমন্বিত ফল। তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন, যাতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা সহজ ও স্বস্তিপূর্ণ হয়।