ঢাকার প্রাচীন নাগরিক ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে তিন দিনব্যাপী ঈদ উৎসবের আয়োজন
ঢাকার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে তিন দিনব্যাপী ঈদ উৎসব

ঢাকার প্রাচীন নাগরিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে তিন দিনব্যাপী ঈদ উৎসব

ঢাকার সমৃদ্ধ প্রাচীন নাগরিক ঐতিহ্য ও উৎসব সংস্কৃতিকে পুনরায় জীবন্ত করার লক্ষ্যে একটি তিন দিনব্যাপী বিশেষ ঈদ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এই উৎসবটি শহরের ঐতিহাসিক ঈদ উদযাপনের ধারাকে স্মরণ করিয়ে দেবে এবং নাগরিকদের মধ্যে মিলন ও আনন্দ ভাগাভাগির পরিবেশ সৃষ্টি করবে।

প্রথম দিন: মেহেদী উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

উৎসবের প্রথম দিন, শুক্রবার (২০ মার্চ), রবীন্দ্র সরোবরে একটি দিনব্যাপী মেহেদী উৎসবের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। সন্ধ্যায় একটি সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ গান পরিবেশন করবেন। এই অনুষ্ঠানটি স্থানীয় শিল্প ও সংস্কৃতির প্রদর্শনী হিসেবে কাজ করবে।

দ্বিতীয় দিন: বর্ণাঢ্য ঈদ মিছিল

উৎসবের দ্বিতীয় দিনে, ঈদের দিন, একটি বর্ণাঢ্য ও জমকালো ঈদ মিছিল আয়োজন করা হবে। এই মিছিলটি হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে ঢাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করবে। নাগরিকদের ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে, এই মিছিল ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ঈদ উদযাপনের স্মৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করবে এবং সম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তৃতীয় দিন: ঘুড়ি উৎসব

উৎসবের তৃতীয় ও শেষ দিনে, রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে একটি বড় আকারের ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। বিভিন্ন বয়সী মানুষ অংশগ্রহণ করে আকাশজুড়ে রঙিন ঘুড়ি উড়ানোর মধ্য দিয়ে ঈদের আনন্দ উদযাপন করবে। এই অনুষ্ঠানটি পরিবারবান্ধব পরিবেশ তৈরি করবে এবং ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলার মাধ্যমে উৎসবের আমেজ বজায় রাখবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও উদ্দেশ্য

আয়োজক কমিটির মতে, ঐতিহাসিকভাবে ঢাকায় ঈদ ছিল নাগরিক মিলন, সংস্কৃতি বিনিময় ও আনন্দ ভাগাভাগির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে, এই তিন দিনব্যাপী উৎসবের মাধ্যমে শহরের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটি নাগরিকদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধনকে শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।