রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ঈদুল ফিতরে বঙ্গভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ঈদে বঙ্গভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ঈদুল ফিতরে বঙ্গভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তাঁর স্ত্রী রেবেকা সুলতানা পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বঙ্গভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর আগামীকাল শনিবার অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

জাতীয় ঈদগাহে নামাজ ও বঙ্গভবনে শুভেচ্ছা বিনিময়

গতকাল বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)কে বলেন, 'রাষ্ট্রপতি সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করবেন। তিনি বেলা ১১টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বঙ্গভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।'

বঙ্গভবনের এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের ক্রেডেনশিয়াল হলে গণমাধ্যমের মাধ্যমে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাবেন। এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপ্রধান বিশিষ্ট ব্যক্তি, জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ, বিচারক, কবি, সাহিত্যিক, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, বেসামরিক–সামরিক কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আট হাজার অতিথির আমন্ত্রণ ও ঐতিহ্যবাহী আপ্যায়ন

এই আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বঙ্গভবনে প্রায় আট হাজার ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আগত অতিথিদের ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাবার পরিবেশন করে আপ্যায়ন করা হবে। এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের নাগরিকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যা দেশের ঐক্য ও সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাবেন বলে জানা গেছে। এই ঈদ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির এই উদ্যোগ দেশের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঈদুল ফিতরের এই বিশেষ দিনে রাষ্ট্রপতির এই কর্মসূচি জাতীয় ঐক্য ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা বহন করছে। বঙ্গভবনে আয়োজিত এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানটি দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও ধর্মীয় সম্প্রীতির একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।