আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস: বজ্রবৃষ্টি ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা
আবহাওয়া অধিদপ্তর দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনার পূর্বাভাস দিয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছার স্বাক্ষরিত ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। পূর্বাভাস অনুযায়ী, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে এবং এর বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
আবহাওয়ার অবস্থা ও পূর্বাভাসের বিস্তারিত
উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার জন্য পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে যে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। রোববার (১ মার্চ) সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
আগামী দিনগুলোর পূর্বাভাস
সোমবার (০২ মার্চ) সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি বাড়তে পারে। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি কমতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানায়, আগামী ৫ দিনে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। এই পূর্বাভাসটি দেশবাসীকে আবহাওয়া সম্পর্কে সতর্ক থাকতে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সহায়তা করবে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তন কৃষি, যাতায়াত ও দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।
