২০২৬ সালের ফিতরা হার ঘোষণা: সর্বনিম্ন ১১০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা
২০২৬ সালের ফিতরা হার: সর্বনিম্ন ১১০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা

২০২৬ সালের ফিতরা হার ঘোষণা: সর্বনিম্ন ১১০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা

জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটি ২০২৬ সালের (১৪৪৭ হিজরি) জন্য জনপ্রতি ফিতরার হার ঘোষণা করেছে। এ বছর ফিতরার সর্বনিম্ন হার ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ শাওয়াল অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের দিন ভোরে যাদের কাছে মৌলিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকবে, তাদের ওপর এই ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব।

জাকাত ও ফিতরার নিসাব নির্ধারণ

রাজধানী ঢাকার জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার ফতোয়া বিভাগ জানিয়েছে, এ বছর ৫২.৫ ভরি রুপার বাজারমূল্য অনুযায়ী জাকাত ও ফিতরার নিসাব ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, কোনো মুসলিমের কাছে পূর্ণ এক বছর এই পরিমাণ অর্থ বা সম্পদ থাকলে তাকে জাকাত দিতে হবে। একইভাবে ঈদুল ফিতরের দিন সকালে এই পরিমাণ সম্পদের মালিক থাকলে তাকে ফিতরা আদায় করতে হবে।

জাকাত আদায়ের তালিকা ও খাদ্যদ্রব্যের ভিত্তিতে ফিতরা

জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া স্বর্ণের বাজারমূল্যের ভিত্তিতে জাকাত আদায়ের একটি তালিকাও প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের ২১ ফেব্রুয়ারির মূল্য অনুযায়ী, জাকাতযোগ্য মূল্যের ওপর ২.৫ শতাংশ হারে জাকাত পরিশোধ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানটির হিসাব অনুযায়ী খাদ্যদ্রব্যের ভিত্তিতে ফিতরার পরিমাণ নিচে দেওয়া হলো:

  • কিসমিস ৩.৩ কেজি: ২৮০০ টাকা
  • পনির ৩.৩ কেজি: ২৬৫০ টাকা
  • খেজুর ৩.৩ কেজি: ২০০০ টাকা
  • যব ৩.৩ কেজি: ৪৫০ টাকা
  • গম বা আটা ১.৬৫ কেজি: ১০০ টাকা

উল্লেখ্য, জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির পক্ষ থেকে ঘোষিত সর্বনিম্ন ফিতরা ১১০ টাকা। রুপার দামের ওপর ভিত্তি করে স্থানীয় বাজারে ফিতরার পরিমাণে কিছুটা তারতম্য হতে পারে, তাই নিজ এলাকার বাজারদর যাচাই করে ফিতরা ও জাকাত পরিশোধ করার পরামর্শ দিয়েছেন ওলামায়ে কেরাম।