বিচ্ছেদের গুঞ্জনে নীরবতা ভেঙে দীপিকা পাড়ুকোনের স্পষ্ট বক্তব্য
বলিউডের জনপ্রিয় তারকা জুটি রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোন আবারও বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মুখোমুখি হয়েছেন। রণবীরের সাম্প্রতিক সিনেমা ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ এর অভাবনীয় সাফল্যের পর দীপিকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নীরবতা ভক্তদের মনে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছিল।
গুঞ্জনের সূত্রপাত
আদিত্য ধর পরিচালিত স্পাই-থ্রিলার সিনেমাটি ভারতের বক্স অফিসে রাজত্ব করার পাশাপাশি বিদেশেও প্রশংসা কুড়াচ্ছে। রণবীর সিং বর্তমানে তার ক্যারিয়ারের সেরা সময় পার করছেন। তবে এই সাফল্যে স্ত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের কোনো পোস্ট বা প্রতিক্রিয়া না থাকায় নেটিজেনরা তাদের সম্পর্কে টানাপোড়ন নিয়ে জল্পনা শুরু করেন।
সম্প্রতি রেডিটে একটি ভাইরাল পোস্টের পর এই গুঞ্জন আরও তীব্র হয়। অনেক ভক্তই আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এই তারকা জুটি হয়তো বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন। ২০২৪ সালে রণবীর তার ইনস্টাগ্রাম থেকে বিয়ের ছবিসহ কিছু পোস্ট সরিয়ে নেওয়ায় আগে যে গুঞ্জন উঠেছিল, তার সঙ্গেও বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করা হচ্ছিল।
দীপিকার জবাব
দুই দিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন দীপিকা পাড়ুকোন। তিনি রণবীরের সাফল্য প্রকাশ্যে কেন উদযাপন করছেন না, সে বিষয়ে মজার একটি কারণ জানিয়েছেন। দীপিকা বলেন, সিনেমাটি আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পাওয়ার আগেই তিনি এটি দেখে ফেলেছিলেন, তাই নতুন করে সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেননি।
যারা তার অনলাইন উপস্থিতি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছিলেন, তাদের উদ্দেশ্যে একটি কৌতুকপূর্ণ মন্তব্য করে পুরো বিষয়টি উড়িয়ে দেন এই অভিনেত্রী। সমালোচকদের এক হাত নিয়ে বলিউডের এই শীর্ষ অভিনেত্রী বলেন, ‘যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার উপস্থিতি বা নীরবতা দেখে আমাদের সম্পর্ক বিচার করেন, তাদের জন্য এটি একটি শিক্ষা হতে পারে। আমি সিনেমাটি অনেক আগেই দেখে রণবীরকে ব্যক্তিগতভাবে অভিনন্দন জানিয়েছি।’
পূর্বের ঘটনাবলি
উল্লেখ্য, বলিউডের এই ‘পাওয়ার কাপল’ এর আগেও একাধিকবার বিচ্ছেদের গুঞ্জনের সম্মুখীন হয়েছেন। প্রতিবারই তারা নিজেদের কাজের মাধ্যমে এবং একে অপরের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সেসব গুজবকে ভুল প্রমাণ করেছেন। এবারের ঘটনাটিও যে নিছক অনুমাননির্ভর ছিল, দীপিকার সাম্প্রতিক মন্তব্যে তা আবারও স্পষ্ট হয়ে গেছে।
দীপিকা পাড়ুকোনের এই স্পষ্ট বক্তব্যে ভক্তরা স্বস্তি পেয়েছেন এবং গুঞ্জন কেটে গেছে। বলিউডের এই দম্পতি তাদের সম্পর্কের শক্তি ও পারস্পরিক সমর্থনের মাধ্যমে আবারও প্রমাণ করেছেন যে, গুজবের চেয়ে বাস্তবতা অনেক বেশি শক্তিশালী।



