হাতিরঝিলে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী নাবিহা তাহসিনের মরদেহ উদ্ধার, আত্মহত্যার সন্দেহ
হাতিরঝিলে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, আত্মহত্যার সন্দেহ

হাতিরঝিলে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার: মায়ের মৃত্যুর পর থেকে হতাশাগ্রস্ত ছিলেন নাবিহা

রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় একটি মর্মান্তিক ঘটনায় পুলিশ একাদশ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে হাতিরঝিল থানার পুলিশ কর্মকর্তারা মহানগর প্রজেক্টের একটি বাসা থেকে নাবিহা তাহসিন নামে এই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেন।

পুলিশের জরুরি সেবা নম্বর থেকে খবর পেয়ে তদন্ত

হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দীনবন্ধু রায় জানান, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এর মাধ্যমে একটি ফোন কল পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। মহানগর প্রজেক্টের ডি-ব্লকের একটি বাসার তৃতীয় তলার রুমে তারা নাবিহার মরদেহ খুঁজে পান।

সেখানে দেখা যায়, সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছিলেন নাবিহা তাহসিন। পুলিশ দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে স্থানান্তর করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মায়ের মৃত্যুর পর থেকে হতাশায় ভুগছিলেন নাবিহা

এসআই দীনবন্ধু রায় আরও উল্লেখ করেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গত বছর তার মায়ের মৃত্যুর পর থেকেই নাবিহা গভীর হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। তিনি প্রায়ই বলতেন যে মায়ের কাছে যেতে চান। পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, "ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিতভাবে জানা সম্ভব হবে।"

নাবিহার পরিচয় ও পারিবারিক তথ্য

নিহত নাবিহা তাহসিনের চাচাতো বোন শারমিন জাহান জানান, নাবিহা কুর্মিটোলার সিভিল অ্যাভিয়েশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার পিতার নাম মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী, যিনি জামালপুরের মিলনদহের আদরা বাঘাডোবা গ্রামের বাসিন্দা। নাবিহা তার পরিবারের সঙ্গে হাতিরঝিলের মহানগর প্রজেক্টে বসবাস করতেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঘটনায় স্থানীয় সম্প্রদায় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ এখন মৃত্যুর কারণ নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চালাচ্ছে এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছে।