গণতন্ত্রের জয়: অবাধ নির্বাচনে বাংলাদেশের নতুন অধ্যায়
১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হলো একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন। উচ্চ ভোটার উপস্থিতি, উৎসবমুখর পরিবেশ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় গণতন্ত্রের বিজয় উদযাপিত হলো সারাদেশে।
১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হলো একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন। উচ্চ ভোটার উপস্থিতি, উৎসবমুখর পরিবেশ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় গণতন্ত্রের বিজয় উদযাপিত হলো সারাদেশে।
চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি, ইসলামী আন্দোলন ও ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থীরা জামানত হারিয়েছেন। বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
দীর্ঘ ৪১ বছর পর হারানো আসন পুনরুদ্ধার করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে তিনি ১ লাখ ৬৯ হাজার ৭৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুরের ৩টি সংসদীয় আসনেই বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। স্বাধীনতা পরবর্তী প্রথমবারের মতো এই আসনগুলোতে বিএনপি’র নিরঙ্কুশ বিজয় হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
হবিগঞ্জ জেলার চারটি সংসদীয় আসনেই জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত তিনটি আসনে এবার ভিন্ন ফল দেখা গেছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ ও ফলাফল প্রক্রিয়া নিশ্চিত করেছেন।
ঢাকা-১৪ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মীর আহমাদ বিন কাসেম বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপি প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলিকে ১৭ হাজার ৭৯০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে বিএনপির আবু সাঈদ চাঁদ বিজয়ী হয়েছেন। ইকবাল হোসেন ও আবদুস সালাম সুরুজ জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি আসনেই জামায়াতে ইসলামীর জয়। জেলার সব আসনে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের হারিয়ে জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ইজ্জত উল্লাহ, মুহাদ্দিস আব
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে বিএনপি প্রার্থী শেখ রবিউল আলম ধানের শীষ প্রতীকে ৮০,৪৩৬ ভোট পেয়ে জামায়াত প্রার্থী জসীম উদ্দিন সরকারকে ৩,৩০০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় ঘোষিত হয়েছে, যেখানে ৭ নারী প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। নির্বাচন কমিশন ভোটের হার প্রকাশ করেছে, এবং তারেক রহমানকে ভারত ও পাকিস্তানের নেতাদের অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
ফরিদপুরের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে বিএনপি ও একটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেছেন, যাতে ভোট গণনা ও পোস্টাল ব্যালট অন্তর্ভুক্ত।
পঞ্চগড়-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী নওশাদ জামির ও নির্বাচিত এমপি ফরহাদ হোসেন আজাদকে অভিনন্দন জানিয়েছেন নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলীয় প্রধান সমন্বয়ক সারগিস আলম। তিনি পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও উন্নয়নে সহযোগিতার আহ্বান জানান।
নেত্রকোনার পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন। একটি আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী জয় পেয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ভোটকেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী এ তথ্য জান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় হয়েছে। ৭ নারী প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের শুভেচ্ছা পেয়েছেন তারেক রহমান।
ময়মনসিংহের ১১টি আসনের প্রাথমিক ফলাফলে বিএনপি আটটি আসনে জয়ী হয়েছে। একটি আসনে জামায়াতে ইসলামী ও একটি আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিজয়ী হয়েছে। ছয়জন প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বিএনপির মনোনয়নে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন নুরুল আমিন। তিনি ইউপি সদস্য থেকে শুরু করে উপজেলা চেয়ারম্যান হয়ে সংসদ সদস্য পদে পৌঁছেছেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন দাবি করেছেন, ১৩তম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সম্পূর্ণভাবে অন্তর্ধিত হয়েছে। রংপুরে জাপাকেও প্রত্যাখ্যান করেছেন ভোটাররা।
ফেনী-২ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন ১ লাখ ৩১ হাজার ২১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুকে ৫১ হাজার ১৫২ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনি ফলাফল ঘিরে প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। দলটি তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে এক পোস্টের মাধ্যমে এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় ঘোষণা। তারেক রহমানকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের উষ্ণ অভিনন্দন। নির্বাচন কমিশন ভোটের হার প্রকাশ করেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরী ১ লাখ ২০ হাজার ৬৭৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী। স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো এ আসনে বিএনপির বিজয় এলাকাবাসীর কাছে ভূমিধস হিসেবে বিবেচিত।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের তিনটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। সেলিমুজ্জামান মোল্লা, কে এম বাবর ও এস এম জিলানী তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছেন।
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম নির্বাচনকে 'ঘৃণিত প্রহসন' আখ্যা দিয়ে বাতিল ও পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন। তিনি প্রকাশ্যে ভোটকেন্দ্র দখল ও সিল মারার অভিযোগ তুলেছেন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের দুই ভাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। জামায়াতের মোস্তাফিজুর রহমান ১ লাখ ৮ হাজার ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন, বিএনপির আজিজুর রহমান পেয়েছেন ৮৪ হাজার ভোট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১২ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে জামায়াতের প্রার্থী সাইফুল আলম বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী সাইফুল হককে বিপুল ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন।
পিরোজপুরের তিনটি সংসদীয় আসনে বিএনপি দুইটি ও জামায়াতে ইসলামী একটি আসনে জয় পেয়েছে। প্রয়াত দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ছোট ছেলে মাসুদ সাঈদী জয়ী হলেও বড় ছেলে শামীম সাঈদী বিএনপি প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান বড় ভাই বিএনপি প্রার্থী আজিজুর রহমানকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন। ভোটের ব্যবধান ২৩ হাজার ৭৮৭টি।
বাংলাদেশের নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় ঘোষিত হয়েছে, ৩৫ বছর পর দেশ পাচ্ছে পুরুষ প্রধানমন্ত্রী। ইসি ভোটের হার প্রকাশ করেছে, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত।
১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ জেলার তিনটি আসনেই জয় পেয়েছে বিএনপি। শুক্রবার ভোর ২:৩০টায় অনানুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হয়। প্রতিটি আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থীরা বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ আসনে একই সঙ্গে তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন ও ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থীরা প্রয়োজনীয় ভোট না পেয়ে এই পরিণতির মুখোমুখি হয়েছেন।