জাতীয় সংসদ স্পিকারের স্ত্রী দিলারা হাফিজের জানাজা সম্পন্ন, প্রধানমন্ত্রীসহ নেতৃবৃন্দের শ্রদ্ধা
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী দিলারা হাফিজের জানাজা সোমবার (৩০ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সম্পন্ন হয়েছে। এই শোকানুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রিসভার সদস্য ও সংসদ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। জানাজার পূর্বে প্রধানমন্ত্রী মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, যা এই শোকসভার মর্যাদা ও গুরুত্বকে আরও বৃদ্ধি করেছে।
মরদেহের আগমন ও প্রাথমিক অনুষ্ঠান
সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় সেন্ট্রাল মিলিটারি হাসপাতাল (সিএমএইচ) থেকে দিলারা হাফিজের মরদেহ বনানীর বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার স্বজনরা কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া করেন, যা মৃতের আত্মার শান্তি কামনার জন্য একটি আধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত। এই অনুষ্ঠানটি ব্যক্তিগত পর্যায়ে সম্পন্ন হয়, যেখানে পরিবারের সদস্যরা শোক প্রকাশ করেন এবং শেষ বিদায়ের প্রস্তুতি নেন।
মৃত্যুর বিবরণ ও ব্যক্তিগত জীবন
দিলারা হাফিজ শনিবার (২৮ মার্চ) সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২৯ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর, যা একটি দীর্ঘ ও সম্ভবত পরিপূর্ণ জীবনের ইঙ্গিত দেয়। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি স্বামী জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, দুই ছেলে শাহরুখ হাফিজ ও তাহারাত হাফিজ এবং এক মেয়ে শামামা শাহরীন হাফিজসহ নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার পরিবার রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে সুপরিচিত, যা এই শোকের বার্তাকে আরও ব্যাপক করে তুলেছে।
দাফন প্রক্রিয়া ও সমাপ্তি
দিলারা হাফিজের দাফন বনানী সামরিক কবরস্থানে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে, যা একটি সামরিক পরিবারের সদস্য হিসেবে তার মর্যাদার প্রতিফলন ঘটায়। এই দাফন প্রক্রিয়াটি সম্ভবত সামরিক প্রটোকল অনুসরণ করে পরিচালিত হবে, যা মৃতের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি ঐতিহ্যবাহী রীতি। সামগ্রিকভাবে, এই ঘটনাটি রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে, যেখানে নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি জাতীয় সংহতির একটি চিহ্ন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।



