জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির বৈঠকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ২৬ অধ্যাদেশ পর্যালোচনা
সংসদ কমিটির বৈঠকে ২৬ অধ্যাদেশ পর্যালোচনা, দ্রুত রিপোর্ট পেশের সিদ্ধান্ত

জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির বৈঠকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ২৬ অধ্যাদেশ পর্যালোচনা

জাতীয় সংসদ গঠিত বিশেষ কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মোট ২৬টি অধ্যাদেশ নিয়ে গভীর আলোচনা ও পর্যালোচনা সম্পন্ন হয়েছে। এসব অধ্যাদেশের প্রয়োজনীয়তা ও যথার্থতা যাচাই-বাছাই করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রিপোর্ট পেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিটি।

বৈঠকের সময় ও স্থান

রবিবার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্যগণ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাদেশগুলোর তালিকা ও গুরুত্ব

বৈঠকে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ এবং স্থানীয় সরকার কাঠামোর বিভিন্ন সংশোধনসহ মোট ২৬টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার তালিকায় রাখা হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
  • নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫
  • সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫
  • গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫
  • জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪-২০২৫
  • স্থানীয় সরকার কাঠামোর সংশোধনী অধ্যাদেশসমূহ
  • রাজস্ব নীতি ও আয়কর সংশোধনী অধ্যাদেশ
  • ব‍্যাংক রেজুলেশন অধ্যাদেশ, ২০২৫

বৈঠকে অংশগ্রহণকারীগণ

কমিটির সদস্য হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক, এ. এম. মাহবুব উদ্দিন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, মুহাম্মদ নওশাদ জমির, সমাজকল্যাণ প্রতিমিণী ফারজানা শারমীন, মো. মুজিবুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম খান এবং জি. এম. নজরুল ইসলাম বৈঠকে অংশ নেন। বিশেষ কমিটির আমন্ত্রণে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাজিবুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রশাসনিক উপস্থিতি

বৈঠকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতি বৈঠকের গুরুত্ব ও জরুরি প্রকৃতিকে তুলে ধরে।

কমিটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

কমিটি অধ্যাদেশগুলো চুলচেরা বিশ্লেষণ করে সেগুলোর উপযোগিতা যাচাই শেষে দ্রুত সংসদ অধিবেশনে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই প্রক্রিয়া সরকারের আইনি ও প্রশাসনিক সংস্কারকে ত্বরান্বিত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই বৈঠকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইনি কাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন।