৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত সরকারের
সরকার ৭ নভেম্বরকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক মুক্তির দিনটিকে স্মরণ করে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৈঠকে দিনটিকে 'এ-শ্রেণির' জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করে সরকারি ছুটি পুনর্বহাল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভার সচিব নাসিমুল গণি বৈঠক শেষে সচিবালয়ের তথ্য বিভাগে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
নাসিমুল গণি বলেন, 'মন্ত্রিসভা আগের মতোই ৭ নভেম্বরকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হবে এবং সরকারি ছুটি হিসেবে চিহ্নিত হবে।' তিনি আরও যোগ করেন, 'আমরা সেই পালন পুনর্বহাল করছি যা পূর্ববর্তী সরকার বাতিল করেছিল।'
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
মন্ত্রিসভার বৈঠকে অন্যান্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে:
- বার্ষিক ১০,০০০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ৬ জুলাইকে জাতীয় গ্রামীণ উন্নয়ন দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তগুলো দেশের উন্নয়ন ও ঐতিহ্য রক্ষায় সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের পুনর্বহাল ঐতিহাসিক গুরুত্ব বজায় রাখতে সহায়ক হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।



