দুর্গাপূজায় তিন দিন ছুটি চেয়েছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ
বাঙালি হিন্দুদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে কমপক্ষে তিন দিন ছুটি ঘোষণার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এই দাবি উত্থাপন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা ও দাবিসমূহ
পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা সাংবাদিকদের জানান, হিন্দু সম্প্রদায়ের সমস্যাগুলো নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রী আমাদের সব সমস্যার কথা ধৈর্য সহকারে শুনেছেন এবং পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাসও দিয়েছেন।"
দাবিসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- দুর্গাপূজার ছুটি কমপক্ষে তিন দিন করা।
- ৫ আগস্টের পর হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহার করা।
- সংখ্যালঘুদের জন্য জাতীয় জীবনের সব ক্ষেত্রে আনুপাতিক হারে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।
- ফেসবুকে বিভিন্ন মিথ্যা প্রচারণার অভিযোগে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, লুটপাট ও ধ্বংসযজ্ঞের বিচার নিশ্চিত করা।
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ
সন্তোষ শর্মা উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন পর্যায়ক্রমে বিচার করা হবে। এই আলোচনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের সমস্যাগুলো তুলে ধরা হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে পরিষদ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে।
দুর্গাপূজা বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। এই উৎসব উপলক্ষে ছুটি বাড়ানো হলে সম্প্রদায়ের সদস্যদের জন্য তা বিশেষ সুবিধা বয়ে আনবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এছাড়াও, সংখ্যালঘুদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই দাবিগুলো উত্থাপন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়ায় পরিষদ আশাবাদী যে, ভবিষ্যতে এই সমস্যাগুলোর সমাধান হবে এবং সম্প্রীতির পরিবেশ আরও শক্তিশালী হবে।



