ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে শিক্ষার্থী আটক ও মারধরের ঘটনা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে এক শিক্ষার্থীকে আটক করে মারধরের পর শাহবাগ থানায় সোপর্দ করেছেন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশ তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
শিক্ষার্থীর পরিচয় ও অভিযোগের বিবরণ
আটক হওয়া শিক্ষার্থী পাবেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের অভিযোগ, তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় পাবেল ক্যাম্পাসের কয়েকজন জুনিয়র শিক্ষার্থীকে নিয়ে বুয়েট ক্যান্টিনে খাবার খাওয়াচ্ছিলেন এবং তাদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিলেন।
আটক ও থানায় সোপর্দের প্রক্রিয়া
এ সময় জাতীয় ছাত্রশক্তির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল্লাহ, হাছিবুর রহমানসহ সংগঠনের অন্য নেতাকর্মীরা তাকে চিনতে পেরে আটক করেন। পরে তাকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। শাহবাগ থানা সূত্র জানায়, শিক্ষার্থীরা ওই শিক্ষার্থীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। আহত হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসা শেষে তাকে আবার থানায় আনা হবে।
পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া
তবে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে আটক করা হয়েছে কি না বা তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বর্তমানে থানায় না থাকায় তার সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত আছেন। তবে এ বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেটি পুলিশ দেখবে। তিনি বলেন, যদি ওই শিক্ষার্থী কোনো মামলার আসামি হন বা অপরাধে জড়িত থাকেন, তাহলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এ বিষয়ে এখনো থানার সঙ্গে তার কোনো আলোচনা হয়নি।
