প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে তিন ব্যক্তির নিয়োগ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে তিনজন ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগের কথা ঘোষণা করা হয়। নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান এবং রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। তারা মন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
অতিরিক্ত উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন
একই প্রজ্ঞাপনে আরও পাঁচজন উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে। মন্ত্রী পদমর্যাদায় মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগপ্রাপ্ত উপদেষ্টাদের মধ্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মাহদী আমিনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া, রেহান আসিফ আসাদকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
পূর্ববর্তী নিয়োগের প্রেক্ষাপট
এর আগে, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় দশজন ব্যক্তিকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেন। এই নতুন নিয়োগগুলি সরকারের প্রশাসনিক কাঠামোকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই উপদেষ্টারা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজে সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান করবেন, যা দেশের উন্নয়ন ও শাসন ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করবে।
এই নিয়োগগুলি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টাদের নিয়োগ সরকারের নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়া, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে দপ্তর বণ্টনের মাধ্যমে সরকারের কার্যক্রম আরও সুসংহত ও দক্ষভাবে পরিচালনার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপগুলি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
