নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যেতে আগ্রহী ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক দেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই ইচ্ছার কথা জানান।
দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের পুনর্ব্যক্ত
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ অংশীদারিত্বের শক্তি ও গভীরতা পুনর্ব্যক্ত করে উভয় দেশ অভিন্ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায়। বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে এসেছে, যা দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্কের মজবুত ভিত্তি নির্দেশ করে।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা
সারাহ কুক উল্লেখ করেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অভিবাসন, নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং রোহিঙ্গা ইস্যুসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে এবং দেশের এই নতুন অধ্যায়ে একসঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যেতে তারা আগ্রহী।
এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্কের গভীরতা ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। ব্রিটিশ হাইকমিশনার আরও বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ইস্যুতে সমন্বিতভাবে কাজ করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
এই সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সারাহ কুকের এই বক্তব্য বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতি যুক্তরাজ্যের সমর্থন ও আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
