লিবিয়ায় বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র জমা
লিবিয়ায় বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র জমা

লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবিব উল্লাহ ত্রিপোলিতে অনুষ্ঠিত এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে দেশটির রাষ্ট্রপতি ড. মোহাম্মদ ইউনুস আল-মেনফির কাছে তার পরিচয়পত্র জমা দিয়েছেন। শনিবার (১৩ জুন) পরিচয়পত্র প্রদানের পর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন রাষ্ট্রদূত। বৈঠকটি সৌহার্দ্যপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

লিবিয়ার রাষ্ট্রপতির বক্তব্য

লিবিয়ার রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং তার দায়িত্ব পালনে সাফল্য কামনা করেন। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার বন্ধন জোরদার করতে লিবিয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এই অঙ্গীকার দুই বন্ধুপ্রতীম দেশের অভিন্ন স্বার্থ রক্ষা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্ব এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে উষ্ণ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশ ও লিবিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করতে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাষ্ট্রদূত বলেন, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিক লিবিয়ার উন্নয়ন ও পুনর্গঠন প্রচেষ্টায়, বিশেষ করে অবকাঠামো, সেবা এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে অবদান রাখছেন।

আলোচিত বিষয়সমূহ

  • বাণিজ্য ও বিনিয়োগ
  • জ্বালানি সহযোগিতা
  • জনশক্তি
  • স্বাস্থ্যসেবা
  • শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়
  • রোহিঙ্গা ইস্যুসহ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যু

উভয় পক্ষ জাতিসংঘ, ওআইসি এবং অন্যান্য বহুপাক্ষিক সংস্থার কাঠামোর মধ্যে সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা করে। রাষ্ট্রদূত আন্তর্জাতিক ফোরামে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি লিবিয়ার অব্যাহত সমর্থনের প্রশংসা করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বৈঠকের সমাপ্তি

বাংলাদেশ-লিবিয়া সম্পর্ক বর্ধিত সম্পৃক্ততা, উন্নত অংশীদারত্ব এবং পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সহযোগিতার নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করবে বলে আস্থা প্রকাশ করে বৈঠক শেষ হয়।