নিজ জমিতে স্থাপনা নির্মাণে আওয়ামী লীগ নেতাদের হামলা, বৃদ্ধ মালিক আহত
নিজ জমিতে স্থাপনা নির্মাণে হামলা, বৃদ্ধ মালিক আহত

নিজ জমিতে স্থাপনা নির্মাণে আওয়ামী লীগ নেতাদের হামলা, বৃদ্ধ মালিক আহত

ঢাকার দোহার উপজেলায় নিজের জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করতে গিয়ে এক বৃদ্ধ মালিককে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের হামলার শিকার হয়ে আহত হতে হয়েছে। বুধবার দুপুরে দোহার বাজারের একটি পেট্রল পাম্পের সামনে এ ঘটনা ঘটে, যা মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

ঘটনার বিবরণ

জানা যায়, জমির মালিক পীর খন্দকার ডালু শাহ তার ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে একটি স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা সম্রাট বেপারী, ছাবু লস্কর, উজ্জ্বল লস্কর এবং করিম বেপারীসহ ৮-১০ জন সন্ত্রাসী তাকে রাস্তায় ফেলে মারধর করে। ভুক্তভোগী ডালু শাহ একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি, যাকে দিনদুপুরে এভাবে আক্রমণ করা স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে অন্যায় ও অমানবিক কাজ।

ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে তিনি এখন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ডালু শাহ জানান, তিনি তার পেট্রল পাম্প ও পাশের দরবার শরীফ রক্ষার জন্য কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে জায়গাটি বন্ধ করেছিলেন, কিন্তু স্থানীয় দুর্বৃত্তরা তাকে আঘাত করে লাঞ্ছিত করেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিযোগ ও তদন্ত

এ ঘটনার সঠিক বিচার চেয়ে ডালু শাহ দোহার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। থানার এসআই আব্দুল হামিদ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং জানান, পাম্প মালিককে মাটিতে ফেলে মারপিট করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা সম্রাট বেপারীকে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে দোহার বাজার এলাকায় এই হামলা চালানো হয়, যা পরে ভিডিও আকারে ছড়িয়ে পড়ে জনসমক্ষে নিন্দার ঝড় তোলে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একজন বৃদ্ধকে তার নিজ জমিতে কাজ করতে দিতে বাধা দেওয়া এবং হামলা চালানো সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। তারা দ্রুত বিচার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এই ঘটনা নবাবগঞ্জ (ঢাকা) এলাকায় নিরাপত্তা ও আইনের শাসন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, যা স্থানীয় প্রশাসনের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।