নোয়াখালী পৌরসভার হাসপাতাল সড়কের একটি অংশে সিলকোটের কাজ শেষ হওয়ার পরদিনই রাস্তা খোয়া গেছে। এ ঘটনায় নিম্নমানের উপকরণ ও ঠিকাদারের গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ৩ জুলাই সিলকোটের কাজ শেষ হওয়ার পরের দিনই রাস্তার ওপরের স্তর উঠে যায়, যা কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
১ কিলোমিটার রাস্তায় ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ
হাসপাতাল সড়কটি ১ হাজার ৫০ মিটার দীর্ঘ এবং এটি নোয়াখালী পৌরসভার অন্যতম ব্যস্ত সড়ক। এই সড়কে ১০০টিরও বেশি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক রয়েছে। পৌরসভার রেকর্ড অনুযায়ী, ২০১৮ সালে নির্মাণের পর থেকে এই রাস্তাটি বারবার মেরামত করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে রাস্তাটির প্রায় ১ কিলোমিটার অংশ সংস্কারে ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়, যা তিনটি কাজের প্যাকেজে বিভক্ত ছিল। বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স প্রকল্পের একটি অংশের জন্য ২৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার চুক্তি পায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ ও ঠিকাদারের বক্তব্য
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, নিম্নমানের বিটুমিন ব্যবহার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল বলেন, “প্রতি বছর সরকারি টাকা খরচ হয়, কিন্তু রাস্তা কখনো টেকসই হয় না।” অন্যদিকে, বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের মালিক মো. হানিফ দায়িত্ব নিয়ে কাজ করেননি বলে জানান। তিনি বলেন, তার পক্ষ থেকে অন্য একটি পক্ষ কাজটি করেছে। তিনি বৃষ্টির কারণে রাস্তা খোয়া যাওয়ার কথা বলেছেন এবং বর্ষা মৌসুম শেষে ত্রুটিগুলো মেরামতের আশ্বাস দিয়েছেন।
পৌরসভার পদক্ষেপ
পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. বেলাল আহমেদ খান জানান, ঠিকাদারকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত ত্রুটিগুলো মেরামতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদার পৌরসভাকে আশ্বস্ত করেছে যে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত মেরামত করা হবে।



