টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনে ফিরলেন ১৪০ জন, ত্রাণসামগ্রীসহ তিন ট্রলার
টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনে ফিরলেন ১৪০ জন, ত্রাণসামগ্রীসহ ট্রলার

টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে ফিরেছেন ১৪০ জন আটকে পড়া বাসিন্দা। শনিবার (১১ জুলাই, ২০২৬) তিনটি কাঠের সার্ভিস ট্রলার সীমিত পরিসরে চলাচল শুরু করায় তাদের ফেরা সম্ভব হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল থাকা সত্ত্বেও ট্রলারগুলো যাত্রী ও জরুরি খাদ্যসামগ্রী নিয়ে টেকনাফের কায়ুকখালী জেটি ছেড়ে যায়।

যাত্রা ও নিরাপত্তা

ট্রলারগুলো সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে কায়ুকখালী জেটি ছেড়ে যায়। ৩৬ কিলোমিটার সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে প্রায় চার ঘণ্টার যাত্রা শেষে বিকেল ৩টায় তারা নিরাপদে সেন্টমার্টিনে পৌঁছায়। বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের একটি জাহাজ পুরো যাত্রাপথ নজরদারি করে।

পটভূমি

টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে যাত্রী ও নিয়মিত জাহাজ চলাচল গত ১০ দিন ধরে বন্ধ ছিল। কারণ ছিল খারাপ আবহাওয়া ও স্থানীয় সতর্কতা সংকেত নম্বর ৩। এতে করে ১৫০ জনের বেশি দ্বীপবাসী টেকনাফে আটকা পড়েন। তারা চিকিৎসা, কেনাকাটা ও জরুরি কাজে টেকনাফে গিয়েছিলেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রশাসনের ভূমিকা

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়জুল ইসলাম ট্রলারগুলোর নিরাপদ আগমন নিশ্চিত করেন। ওয়ার্ড সদস্য মাহফুজা আক্তার বলেন, উপজেলা প্রশাসন আটকে পড়া বাসিন্দা ও জরুরি খাদ্যসামগ্রী দ্বীপে পাঠানোর অনুমতি দিয়েছে।

খাদ্য সহায়তা

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এস এম আনিক চৌধুরী বলেন, দ্বীপের প্রায় ৩০০ পরিবারের জন্য খাদ্য সহায়তা ট্রলারগুলোর মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, 'যাত্রীরা বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের একটি জাহাজের নজরদারিতে নিরাপদে ভ্রমণ করেছেন। দ্বীপের সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রেখেছে।'

সতর্কতা প্রত্যাহার

ইউএনও জানান, স্থানীয় সতর্কতা সংকেত নম্বর ৩ ইতিমধ্যে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে রুটে চলাচল আরও স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ