নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঝিনাইদহ জেলা শাখার সভাপতি শাহরিয়ার করিম বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় পুলিশ তাঁকে আটক করেছে। বুধবার দুপুরে তাঁকে আটক করে প্রথমে বেনাপোল পোর্ট থানা ও পরে ঝিনাইদহ সদর থানায় পাঠানো হয়। পরে তাঁকে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শাহরিয়ার করিমের পরিচয় ও পরিবারের দাবি
শাহরিয়ার করিম ঝিনাইদহ পৌরসভার আরাপপুর উকিলপাড়ার বাসিন্দা। তাঁর গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ভায়না গ্রামে। আটকের পর তাঁর পরিবার থেকে দাবি করা হয়েছে, তিনি চিকিৎসার জন্য বৈধ প্রক্রিয়ায় ভারতীয় ভ্রমণ ভিসা নিয়ে ভারতে যাচ্ছিলেন। তিনি ২০২৪ সালের একটি মামলায় আসামি থাকলেও আদালতের জামিনে ছিলেন বলে দাবি পরিবারের।
পুলিশের বক্তব্য
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান জানিয়েছেন, গতকাল বুধবার রাতে শাহরিয়ারকে বেনাপোল থেকে নিয়ে আসা হয়। ঝিনাইদহ শহরে ছাত্রলীগের মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পরিবারের সদস্যের বক্তব্য
শাহরিয়ার করিমের ফুফাতো ভাই খালিদ বিন শিশির বলেন, ২০২৪ সালে তাঁর নামে একটি মামলা হয়েছিল। সেই মামলায় জামিন পেয়ে তিনি নিজ বাসাতেই অবস্থান করছিলেন। বুধবার চিকিৎসার জন্য বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় দুপুরে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাঁকে আটক করে।



