নরসিংদীর কয়েকটি এলাকায় ৯ ঘণ্টার বিদ্যুৎ বন্ধ, রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে
নরসিংদীতে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ, রক্ষণাবেক্ষণ কাজ

নরসিংদীর কয়েকটি এলাকায় ৯ ঘণ্টার বিদ্যুৎ বন্ধ, রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে

বৈদ্যুতিক লাইন সম্প্রসারণ ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য নরসিংদী জেলার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের আগাম জানিয়ে দিয়েছে।

বিদ্যুৎ বন্ধের সময়সূচি ও কারণ

নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১১ কেভি লাইনের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে বুধবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মোট ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এই সময়ের মধ্যে চৌয়ালা-১ উপকেন্দ্রের বাজার, হাজিপুর ও টিএন্ডটি ফিডার এবং হাসনাবাদ ৩৩ কেভি ফিডারের আওতাভুক্ত সমস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে।

যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না

বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে এমন উল্লেখযোগ্য এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • দত্তপাড়া
  • সাটিরপাড়া
  • কান্দাপাড়া
  • কাউরিয়াপাড়া
  • বৌয়াকুড়
  • আরশিনগর
  • স্টেশন রোড
  • বানিয়াছল ডায়াবেটিস হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকা (আংশিক)
  • পশ্চিম কান্দাপাড়া (আংশিক)
  • উত্তর কান্দাপাড়া
  • দক্ষিণ কান্দাপাড়া
  • বাজিরমোড়
  • নরসিংদী বড় বাজার ও সংশ্লিষ্ট এলাকা

এই সমস্ত এলাকার বাসিন্দাদের জন্য কর্তৃপক্ষ পরামর্শ দিয়েছে যে তারা যেন বিদ্যুৎ বন্ধের সময়সূচি মেনে তাদের দৈনন্দিন কাজকর্মের পরিকল্পনা করে নেন।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও ক্ষমাপ্রার্থনা

নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, "বৈদ্যুতিক লাইনের নিরাপত্তা ও দক্ষতা নিশ্চিত করতে এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজ অত্যন্ত জরুরি ছিল। আমরা এলাকাবাসীর সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং তাদের সহযোগিতা কামনা করছি।"

তিনি আরও যোগ করেছেন যে এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সম্পন্ন হলে ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ সরবরাহ আরও নির্ভরযোগ্য ও নিরবচ্ছিন্ন হবে, যা দীর্ঘমেয়াদে এলাকাবাসীর জন্য উপকারী হবে। কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছে যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হবে।

এই সাময়িক বিদ্যুৎ বন্ধের বিষয়টি নরসিংদী জেলার দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় কিছুটা ব্যাঘাত ঘটাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে। তবে কর্তৃপক্ষের মতে, এটি একটি অপরিহার্য রক্ষণাবেক্ষণ কাজ যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিদ্যুৎ সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করবে।