ইউনিসেফ ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) যৌথ জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো মোট প্রজনন হার (টিএফআর) ২.৩ থেকে বেড়ে ২.৪ হয়েছে। এই বৃদ্ধি জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রজনন হার বৃদ্ধির কারণ
জরিপ অনুযায়ী, প্রজনন হার বৃদ্ধির পেছনে কয়েকটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে জনবল সংকট, সরকারি জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রীর অভাব এবং গত এক দশক ধরে সরকারি অবহেলা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান না করা হলে দেশে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়বে।
জনসংখ্যা বৃদ্ধির পূর্বাভাস
বিশেষজ্ঞরা পূর্বাভাস দিয়েছেন, বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০৩৬ সাল নাগাদ বাংলাদেশে প্রায় ৯৬ লাখ অতিরিক্ত জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। এই অতিরিক্ত জনসংখ্যা দেশের সম্পদ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করবে।
দ্রুত পদক্ষেপের তাগিদ
জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা দ্রুত টিএফআর ২.১-এ নামানোর তাগিদ দিয়েছেন। তারা বলছেন, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে পর্যাপ্ত জনবল ও জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রী সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি, সরকারি উদ্যোগে সচেতনতা বাড়ানো এবং স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা প্রয়োজন।



