২০১৪ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব পার হতেই নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ছিল সুইজারল্যান্ড। মেসি-মারিয়া-হিগুয়েন-লাভেজ্জি মিলে ২০টি শট নিলেও ভাঙতে পারেনি প্রতিপক্ষকে। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে খেলা গড়ালো অতিরিক্ত সময়ে। গোলের দেখা নেই। সমর্থকরা অপেক্ষা করছিলেন টাইব্রেকারের। কিন্তু শেষের আগেই মেসির পাসে ডি মারিয়ার আঘাত। শাকিরি-জাকাদের হতাশ করে পরের রাউন্ডে পৌঁছে আর্জেন্টিনা।
১২ বছর পর পুনরায় মোকাবেলা
১২ বছর পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আবার দেখা দুই দলের। এবার মারিয়া নেই। আর্জেন্টিনার সেই দলের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে আছেন মেসি। লেফট উইংয়ে মারিয়া না থাকলেও এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত রীতিমতো উড়ছে আলবিসেলেস্তেরা। এখন পর্যন্ত এক ম্যাচও হারেনি। কোনও ম্যাচ গড়ায়নি টাইব্রেকারেও। নকআউট পর্বে কেপ ভার্দে ও মিসর কঠিন চ্যালেঞ্জ দিলেও সেগুলো উতরে গেছে চ্যাম্পিয়নদের মতো করে।
সুইজারল্যান্ডের অপরাজিত অভিযান
কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার সামনে এবারের বিশ্বকাপে উড়তে থাকা সুইজারল্যান্ড। তারাও এই বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত অপরাজিত। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে কাতারের বিপক্ষে ড্র করলেও পরের দুই ম্যাচে নিজেদের জাত চিনিয়েছে। রাউন্ড অব ৩২-এ আলজেরিয়াকে উড়িয়ে এলেও শেষ ষোলোতে কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারে হারিয়েছে।
আর্জেন্টিনার স্বস্তির কারণ
তবে সুইসদের পেয়ে আর্জেন্টিনা কিছুটা স্বস্তিতেই থাকতে পারে। কেননা ইউরোপের এই দলটির কাছে কখন হারেনি আর্জেন্টিনা। তাছাড়া দলের সেরা তারকা লিওনেল মেসিরও দলটির বিপক্ষে একটি হ্যাট্রিক রয়েছে। বিশ্বকাপে দুইবারের দেখায় জয় পেয়েছে। এর মধ্যে ১৯৬৬ সালে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ২-০ গোলে হারায় দলটিকে। ২০১৪ সালে অতিরিক্ত সময়ের গোলে সুইসদের কাঁদায় আর্জেন্টিনা।
এ ছাড়া দলটির বিপক্ষে ৫টি ফ্রেন্ডলি ম্যাচ খেললেও কখন হারেনি লাতিনের দলটি। এর মধ্যে তিনবারই জয় পেয়েছে। দুইবার ড্র করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে।
মেসির হ্যাট্রিক স্মৃতি
এদিকে ২০১২ সালে ফেব্রুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে এক ফ্রেন্ডলি ম্যাচে হ্যাট্রিক করেন লিওনেল মেসি। ৩-১ গোলের সেই ম্যাচে ১৯, ৮৭ ও ৯০ মিনিটে গোল করে হ্যাট্রিক পূর্ণ করেন মেসি। যদিও এর একটি ছিল পেনাল্টি গোল। এ ছাড়া ২০০৭ সালেও এক ফ্রেন্ডলি ম্যাচে সুইসদের বিপক্ষে খেলেছিলেন আর্জেন্টাইন জাদুকর।



