এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসে ভারত 'এ' দলের জয়, টস থেকে 'নো হ্যান্ডশেক' রীতি অব্যাহত
এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসে ভারত 'এ' দলের জয়, 'নো হ্যান্ডশেক' চলছে

এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসে ভারত 'এ' দলের জয়, 'নো হ্যান্ডশেক' রীতি অব্যাহত

এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারস টুর্নামেন্টে ভারত 'এ' দল পাকিস্তান 'এ' দলকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে টস থেকে শুরু করে খেলা শেষের পরেও দুই দলের ক্রিকেটাররা হাত মেলাননি, যা চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রতিফলন হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

ম্যাচের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান 'এ' দল ১৮ ওভারে মাত্র ৯৩ রান সংগ্রহ করে। ওপেনার শাওয়াল জুলফিকার ২৩ রান, গুল রুখ ২১ রান এবং আনোসা নাসির ১৭ রান করেন, কিন্তু অন্যান্য ব্যাটাররা সেভাবে দাঁড়াতে পারেননি।

৯৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত 'এ' দল মাত্র ১০ ওভার ১ বলে ২ উইকেট হারিয়ে সহজেই জয় পায়। দীনেশ ভৃন্দার ২৯ বলে অপরাজিত ৫৫ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন, যা দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

'নো হ্যান্ডশেক' রীতির পটভূমি

এই ম্যাচেও টসের পর পাকিস্তান অধিনায়ক হাফসা খালিদ এবং ভারতের অধিনায়ক রাধা যাদব হাত মেলাননি। গত বছরের মে মাসে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে তুমুল সংঘাতের পর থেকে ক্রিকেট মাঠে এই রীতি শুরু হয়।

এশিয়া কাপে প্রথমবারের মতো পুরুষ দলের মধ্যে 'নো হ্যান্ডশেক' দেখা যায়, যেখানে ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আগার সঙ্গে হাত মেলানো থেকে বিরত থাকেন। এরপর মহিলা বিশ্বকাপেও ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর পাকিস্তানের ফাতিমা সানার সঙ্গে হাত মেলাননি।

এখন ছেলেদের এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারস টুর্নামেন্টেও এই রীতি অব্যাহত রয়েছে, যা দুই দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে রাজনৈতিক বিভাজনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আজ পাকিস্তান-ভারত মুখোমুখি হবে। কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ম্যাচ শুরু হবে। গতকালের সংবাদ সম্মেলনে কোন দলের অধিনায়কই হাত মেলানোর বিষয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত দেননি।

সূর্যকুমার যাদব '২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে' বলেছিলেন, অন্যদিকে পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আগা উল্লেখ করেন যে ক্রিকেটের নিজস্ব চেতনাতেই খেলা উচিত। তিনি বলেন, 'ভারত কী করতে চায়, তার পুরোটাই তাদের ওপর নির্ভর করছে। আমরা আগামীকালই সেটা দেখতে পাব।'

এই পরিস্থিতি ক্রিকেট বিশ্বে আলোচনার জন্ম দিচ্ছে, যেখানে খেলাধুলা এবং রাজনীতির মধ্যে সীমারেখা ক্রমশ অস্পষ্ট হয়ে পড়ছে।