সিলেটে ঈদুল ফিতরের জামাতের সময়সূচি ঘোষণা
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সিলেট মহানগরী এবং আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন স্থানে ঈদের জামাতের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সময়সূচি অনুযায়ী, মুসল্লিরা নির্দিষ্ট স্থান ও সময়ে জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
প্রধান জামাত শাহী ঈদগাহ মাঠে
বরাবরের মতো এবারও নগরীর প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্যবাহী শাহী ঈদগাহ মাঠে। এই জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় শুরু হবে। এখানে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীসহ জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিশিষ্টজনেরা নামাজ আদায় করবেন।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানের জামাত
একই সময়ে দরগাহ হযরত শাহজালাল (রহ.) জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ ও দরগাহ হযরত শাহপরাণ (রহ.) জামে মসজিদ প্রাঙ্গণেও ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। শাহজালাল দরগাহ মসজিদে ইমামতি করবেন মাওলানা আসজাদ আহমদ।
নগরীর সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আনজুমানে খেদমতে কুরআন সিলেটের উদ্যোগে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এই স্থানে নারী ও শিশুদের জন্য আলাদা প্যান্ডেলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
কোর্ট পয়েন্ট সংলগ্ন কালেক্টরেট জামে মসজিদে সকাল ৭টায় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
বিভিন্ন এলাকায় জামাতের সময়
- বন্দরবাজারের ঐতিহ্যবাহী কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদে তিনটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে সকাল ৭টা, ৮টা ও ৯টায়।
- জামেয়া মদিনাতুল উলুম খাসদবীর মাদ্রাসায় দুটি জামাত হবে সকাল ৮টা ও সাড়ে ৮টায়।
- দক্ষিণ সুরমার সিলাম শাহী ঈদগাহ ময়দানে প্রথম জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে।
- কাজিরবাজার মখন জামে মসজিদে সকাল সোয়া ৯টায় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
- টিলাগড় শাহ মাদানি ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে তারিখ নির্ধারণ
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ঈদের তারিখ নির্ধারিত হবে এবং সে অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করে মুসল্লিরা জামাতে অংশ নেবেন। এই সময়সূচি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে সকল মুসল্লি সুবিধাজনক সময়ে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন।
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সিলেটে এই জামাতের আয়োজন ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও ধর্মীয় সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে এই সময়সূচি প্রণয়ন করা হয়েছে, যা মুসল্লিদের জন্য সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করবে।



