আইইউবিতে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন: দেশের সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্পের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা
আইইউবিতে সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্প নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন

আইইউবিতে সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্পের ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন

ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি) আগামী ৯ ও ১০ এপ্রিল ঢাকার নিজস্ব ক্যাম্পাসে আয়োজন করতে যাচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন। সম্মেলনের শিরোনাম হলো 'দ্য নেশন অ্যান্ড ইটস ইমাজিনেশন্স: কালচার অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রিজ ইন বাংলাদেশ'। এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশের সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্প কীভাবে জাতীয় পরিচয়, ভাবনা এবং অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে, সে বিষয়ে গভীর আলোচনা হবে।

সম্মেলনের উদ্দেশ্য ও অংশগ্রহণকারী

আইইউবির মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের আয়োজনে এই সম্মেলনে দেশ-বিদেশের শিক্ষক, গবেষক এবং পেশাজীবীরা অংশ নেবেন। সম্মেলনের মূল লক্ষ্য হলো সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্পের মাধ্যমে একটি দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিকাশের দিকগুলো নিয়ে গবেষণা এবং বিতর্কের সুযোগ তৈরি করা। অংশগ্রহণকারীরা তাদের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান ভাগ করে নিয়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করবেন।

সম্মেলনের কার্যক্রম ও সেশন

সম্মেলনে থাকবে কী-নোট বক্তব্য, প্যানেল আলোচনা এবং ১২টি সমান্তরাল সেশন। এসব সেশনে মিডিয়া, উপস্থাপন, গল্প বলার ধরণ, দর্শকের দৃষ্টিভঙ্গি এবং সৃজনশীল শিল্পের পরিবর্তনশীল বাস্তবতা নিয়ে নানা দিক তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি, শিক্ষক ও গবেষকরা তাদের অ্যাকাডেমিক গবেষণাপত্র উপস্থাপন করবেন, যা গবেষণা ও সৃজনশীল চর্চায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কী-নোট বক্তাদের পরিচয়

সম্মেলনের প্রথম দিনে কী-নোট বক্তব্য দেবেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব অ্যাডিলেডের কলেজ অব ক্রিয়েটিভ আর্টস, ডিজাইন অ্যান্ড হিউম্যানিটিজের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ক্রেইগ ব্যাটি। দ্বিতীয় দিনে কী-নোট বক্তব্য দেবেন আইইউবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ড্যানিয়েল ডব্লিউ. লুন্ড। তাদের বক্তব্য সম্মেলনের বিষয়বস্তুকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং অংশগ্রহণকারীদের জন্য মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা

আয়োজকদের আশা, এই সম্মেলন গবেষণা, সৃজনশীল চর্চা ও নীতিনির্ধারণে নতুন চিন্তার ক্ষেত্র তৈরি করবে। এটি বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা এবং সহযোগিতার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।