সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াতের
সংবিধান সংস্কার অধিবেশন না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াতের

সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াতের

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে হামিদুর রহমান আযাদ সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি জানান, আগামীকাল সরকার যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকে, তাহলে ১১ দলীয় জোট রাজপথে আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।

আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি হবে ২৮ মার্চ

হামিদুর রহমান আযাদ উল্লেখ করেন, ঈদের পর আগামী ২৮ মার্চ আন্দোলনের বিস্তারিত রূপরেখা তৈরি করা হবে। শনিবার (১৪ মার্চ) অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। তিনি বলেন, "আমরা আজকে বৈঠক থেকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামীকাল যদি সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য অধিবেশন না ডাকে, তাহলে আমরা রাজপথে যেতে বাধ্য হব। শীর্ষ নেতারা বৈঠক ডেকে কর্মসূচি দেবেন।"

বিএনপির ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, একই দিনে দুটো নির্বাচন হয়েছে এবং হ্যাঁ ভোট জয়যুক্ত হয়েছে, যা সরকারের দায়িত্ব বাস্তবায়ন করা উচিত। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট দুটো অনুযায়ী দুইটি সাধারণ অধিবেশন ডাকার নিয়ম থাকলেও মাত্র একটি অধিবেশন ডাকা হয়েছে। বিএনপির সদস্যরা সংবিধান সংস্কারের শপথ না নিলেও জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে, যা জাতির সঙ্গে প্রতারণা বলে তিনি মন্তব্য করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ

হামিদুর রহমান আযাদ সরকারের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, "এরইমধ্যে সিটি করপোরেশন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। ঢালাওভাবে দলীয়করণ হচ্ছে, প্রশাসনিক রদবদল হচ্ছে—এগুলো আরেকটি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর কৌশল।" তিনি দাবি করেন, এই পদক্ষেপগুলো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন, যা এই আন্দোলনের ব্যাপকতা নির্দেশ করে। জামায়াতে ইসলামীর এই ঘোষণা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে, এবং আগামী দিনগুলোর উন্নয়ন নজরে রাখা হচ্ছে।