ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানসুরা আলম শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডিতে সুমাইয়া বান্না নামে একটি আইডির পোস্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করেন। শেয়ার করে তিনি প্রশ্ন তোলেন— এ ধরনের বক্তব্যের কারণে যদি মামলা ও গ্রেফতার করা হয়, সেটি আদৌ বাকস্বাধীনতার লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে কিনা?
তার পোস্টটি যুগান্তরের পাঠকদের হুবহু দেওয়া হলো:
'এ মেয়েটির নামে যদি মামলা দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে গ্রেফতার করা হয়, তাহলে ঠিক কি ধরনের বাকস্বাধীনতার লঙ্ঘন হবে বলে আপনারা মনে করেন?
গত ডাকসু থেকেই আমি একটা কথা বলে এসেছি, নারীর রাজনীতি, নারীদের যেসব সক্ষমতায় আমরা আজ পুরুষদের সমান সারিতে আসতে পেরেছি, আমাদের সামনের প্রধান বাধা মূলত আর পুরুষেরা নন, এই রাজনীতির অংশ নারীরা। এরাই আমাদের মেয়েদের পেছনে টেনে রাখতে চায়।
আর তাদের রাজনীতি, তাদের এমপাওয়ারমেন্ট উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট না- কখনোই না। এদের মানসিকতা, চিন্তা-চেতনায় পুরুষের চেয়েও বড় পুরুষ।
এজন্যই হয়তো শফিক সাহেবেরা কর্মজীবী মেয়েদের ডিগ্রেড করান, আর এদের নিয়ে মিছিল দিয়ে নারী শক্তি দেখান।
বলাই বাহুল্য, আমি আমার জায়গা থেকে এদের রাজনৈতিক অবস্থান ডিনাই করে এসেছি। হাজারো নারীদের শক্তিকে এদের দিয়ে কুক্ষিগত করা যাবে না।'



