ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম শুক্রবার দুপুরে ডাকসু ভবনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদকে রাজধানীর শাহবাগ থানায় ওসির রুম পর্যন্ত মারতে মারতে নিয়ে যাওয়া হয়।
থানায় আইনের অধিকার নিয়ে প্রশ্ন
সাদিক কায়েম বলেন, ‘যখন শাহবাগ থানায় ডাকসুর এবি জুবায়ের মুসাদ্দিকসহ আরও কয়েকজন গিয়েছিল, তাদেরকে থানার গেট থেকে একদম ওসির রুম পর্যন্ত মারতে মারতে নিয়ে যাওয়া হয়।’ তিনি প্রশ্ন রাখেন, থানার মধ্যে যদি একজন নাগরিকের আইনের অধিকার না থাকে, তাহলে বাংলাদেশের আইন কোথায়, বিচার কোথায়?
জিডি করতে গিয়ে আটক
সাদিক কায়েম আরও বলেন, ‘যে ছেলে (আবদুল্লাহ আল মাহমুদ) তার জীবনের নিরাপত্তার জন্য থানায় জিডি করতে গেছে, তার জিডি নেওয়া হয়নি; বরং তাকে থানায় রেখে দেওয়া হয়েছে। সেই দুপুর থেকে ভোর সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত তাকে থানায় রাখা হয়েছে। প্রথমে সে শাহবাগ থানায় ছিল, সেখান থেকে তাকে ধানমন্ডি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।’
পুলিশের ‘উপরের নির্দেশ’
ধানমন্ডি থানায় গিয়ে পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে চান, কেন তাকে আটকে রাখা হয়েছে? তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অপরাধ আছে কি? তখন পুলিশ জানায়, এটি ‘উপরের নির্দেশ’।
আহতদের অবস্থা
ডাকসু ভিপি আরও বলেন, ‘আহত এবি জুবায়ের ও মুসাদ্দিক ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নেওয়ার পর এখন বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে আছে। প্রচণ্ড আঘাত পাওয়ার কারণে তাদের শরীরে অনেক বেশি ব্যথা এবং জ্বর রয়েছে। সুস্থ হতে তাদের আরও কিছু সময় লাগবে।’
ঘটনার পটভূমি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের নামে আপত্তিকর পোস্ট ছড়ানো হয়। এ ঘটনায় ছড়ানো স্ক্রিনশটটিকে ভুয়া দাবি করে শাহবাগ থানায় জিডি করতে যান ডাকসুর শিবির প্যানেলের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। এরপর ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ থানায় গেলে তাদের ওপর হামলা ঘটে।



