পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ১০ জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন
পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রীর হাতে কৃষক কার্ড বিতরণ

পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ১০ জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন

আসন্ন পহেলা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলসহ দেশের ১০টি জেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সরকারি এক তথ্যবিবরণীর মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। কৃষি খাতের আধুনিকায়ন এবং কৃষকদের ভাগ্যউন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে।

কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি সুবিধা প্রদান

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সশরীরে উপস্থিত থেকে নির্বাচিত কৃষকদের হাতে এই বিশেষ কার্ড তুলে দেবেন বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, এই নতুন ‘কৃষক কার্ড’ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকরা সরকারি সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষি প্রণোদনা সরাসরি এবং স্বচ্ছ উপায়ে গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এর ফলে কৃষি সহায়তা বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।

ডিজিটাল লেনদেন ও ভর্তুকি সরাসরি অ্যাকাউন্টে

ডিজিটাল এই কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন ও ভর্তুকির টাকাও সরাসরি কৃষকের অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইলসহ ১০টি জেলাকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে এটি সারা দেশের সব কৃষকের মাঝে সম্প্রসারণ করা হবে। কৃষি মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো এই কার্যক্রম সফল করতে ইতিমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জাতীয় উৎসবে কৃষি অর্থনীতিতে নতুন গতি

সরকার মনে করছে, পহেলা বৈশাখের মতো একটি জাতীয় উৎসবে কৃষকদের মাঝে এই কার্ড বিতরণ গ্রাম বাংলার কৃষি অর্থনীতিতে নতুন গতির সঞ্চার করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সরকারের এই উদ্যোগটি স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কৃষি খাতের ডিজিটালাইজেশনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই কার্ড বিতরণ কর্মসূচি কৃষি খাতের উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকারের একটি বড় প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।