জ্বালানি সংকটে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ী বিশেষ উদ্যোগ
জ্বালানি সংকটে ডিএসসিসির বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ী উদ্যোগ

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ডিএসসিসির বিশেষ উদ্যোগ

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। সংস্থাটির ব্যয় কমানো ও সম্পদের সাশ্রয় নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালামের নির্দেশে এ সংক্রান্ত একটি দপ্তর আদেশ জারি করা হয়।

জ্বালানি ব্যবহারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ

দপ্তর আদেশে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের ব্যবহৃত সরকারি গাড়িতে জ্বালানি সরবরাহ ৩০ শতাংশ কমানো হয়েছে। পাশাপাশি শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কাজে ব্যবহৃত যানবাহনের জ্বালানি ব্যবহার ২০ শতাংশ কমানোর জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক কাজে গাড়ির ব্যবহারও সীমিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য আরও কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার না করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে জানালা ও দরজা খুলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার বাড়াতে বলা হয়েছে। অফিসে বিদ্যমান বাতির অর্ধেক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় লাইট বন্ধ রাখতে হবে।

এ ছাড়া অফিস চলাকালে প্রয়োজন ছাড়া ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি চালানো যাবে না। এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা কমপক্ষে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অফিস কক্ষ ত্যাগের সময় বাতি, ফ্যান ও এসি বন্ধ রাখার পাশাপাশি করিডোর, সিঁড়ি ও ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় বাতি জ্বালানো যাবে না।

অফিস সময় শেষ হওয়ার পর কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানারসহ সব ধরনের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখতে হবে এবং আলংকারিক আলোকসজ্জা পরিহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডিএসসিসির সব বিভাগ ও আঞ্চলিক কার্যালয়কে এসব নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের জন্য বলা হয়েছে। সংস্থার সচিব মোহাম্মদ নাছিম আহমেদ স্বাক্ষরিত এ দপ্তর আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।