রমজানে ব্যাংক লেনদেন এক ঘণ্টা ও পুঁজিবাজার আধা ঘণ্টা কমল, সরকারি অফিসের সময়সূচিও পরিবর্তন
রমজানে ব্যাংক লেনদেন এক ঘণ্টা, পুঁজিবাজার আধা ঘণ্টা কমল

রমজানে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সরকারি অফিসের সময়সূচিতে পরিবর্তন

আসন্ন পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে দেশের আর্থিক খাত ও সরকারি অফিসের কার্যক্রমের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্যাংকিং লেনদেনের সময় এক ঘণ্টা এবং পুঁজিবাজারের লেনদেন আধা ঘণ্টা কমানো হয়েছে। এছাড়া সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিসের দাপ্তরিক সময়েও পরিবর্তন এসেছে।

ব্যাংকিং লেনদেনের নতুন সময়সূচি

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন অনুসারে, রমজান মাসে দেশের সব ব্যাংকে লেনদেনের সময় সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে ব্যাংক লেনদেন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলে। অর্থাৎ, এবার লেনদেনের সময় এক ঘণ্টা কমেছে। তবে, দাপ্তরিক কাজের জন্য ব্যাংক খোলা থাকবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

নামাজের বিরতির সময় দুপুর সোয়া ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত থাকবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দেশ দিয়েছে যে, এই বিরতিতে অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে লেনদেন স্বাভাবিকভাবে চলমান রাখতে হবে। রোজা ও ঈদুল ফিতর শেষে ব্যাংকিং লেনদেন ও দাপ্তরিক সময় পূর্বের নিয়মে ফিরে আসবে।

পুঁজিবাজারের সময়সূচি পরিবর্তন

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) রমজানে লেনদেনের সময় আধা ঘণ্টা কমিয়েছে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, লেনদেন সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত চলবে। এরপর ১০ মিনিটের জন্য পোস্ট ক্লোজিং সেশন থাকবে। ডিএসই-এর অফিসিয়াল কার্যক্রম সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত হবে।

স্বাভাবিক সময়ে পুঁজিবাজারে লেনদেন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এবং অফিসসূচি সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত থাকে। রমজান মাস ও ঈদুল ফিতরের ছুটির পর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সময়সূচি আগের নিয়মে ফিরে যাবে।

সরকারি অফিসের সময়সূচি

এবছর রোজা শুরুর দিন থেকে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত অফিসের দাপ্তরিক সময় সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে এই অফিসগুলো সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। অর্থাৎ, সরকারি কর্মীদের কাজের সময়ও রমজানে সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পৃথক প্রজ্ঞাপন ও বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সময়সূচি পরিবর্তনের তথ্য জনগণকে জানিয়েছে। এই পদক্ষেপ রমজানের পবিত্রতা ও কর্মীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।