টিম ডেভিডের তাণ্ডবে আইপিএলে এক ম্যাচে ভেঙেছে একাধিক রেকর্ড
টিম ডেভিডের তাণ্ডবে আইপিএলে এক ম্যাচে ভাঙল রেকর্ড

টিম ডেভিডের তাণ্ডবে আইপিএলে এক ম্যাচে ভেঙেছে একাধিক রেকর্ড

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু বনাম চেন্নাই সুপার কিংসের আইপিএল ম্যাচটি ক্রিকেট ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে টিম ডেভিডের অসাধারণ ব্যাটিং প্রদর্শনের জন্য। ১৫তম ওভারে ব্যাট করতে নামার সময় বেঙ্গালুরুর স্কোর ছিল মাত্র ১৫০ রান, কিন্তু ডেভিডের মারকুটে ইনিংস দলের স্কোরকে ২০ ওভারে ২৫০ রানে নিয়ে যায়।

ডেভিডের ব্যাটিংয়ে বল উড়ে গেল স্টেডিয়ামের বাইরে

ডেভিডের ব্যাট থেকে বলগুলো শুধু বাউন্ডারি পার হয়নি, একটি ছক্কা তো স্টেডিয়ামের ছাদের ওপর দিয়েই বাইরে চলে গেছে। তার এই বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সামনে চেন্নাই সুপার কিংস ২০৭ রান তুলতে সক্ষম হলেও ম্যাচটি রেকর্ডের খাতায় জায়গা করে নিয়েছে।

ম্যাচে গড়া উল্লেখযোগ্য রেকর্ডসমূহ

এই ম্যাচে একাধিক রেকর্ড গড়া হয়েছে, যা ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য অবিশ্বাস্য। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেগুলো:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • শেষ ৫ ওভারে ৯৭ রান: বেঙ্গালুরু শেষ ৫ ওভারে ৯৭ রান তুলেছে, যা আইপিএলের যৌথ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড হিসেবে স্বীকৃত।
  • শেষ ১০ ওভারে ১৬ ছক্কা: বেঙ্গালুরুর ব্যাটসম্যানরা শেষ ১০ ওভারে ১৬টি ছক্কা মেরেছে, যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০১৬ সালে গুজরাট লায়ন্সের বিপক্ষে ১৮ ছক্কার রেকর্ড এখনও অক্ষত।
  • টিম ডেভিডের ব্যক্তিগত রেকর্ড: ১৫তম ওভারে নামা ডেভিড ২৫ বলে ৮ ছক্কায় ৭০ রানে অপরাজিত ছিলেন, যা আইপিএলের একটি রেকর্ড।
  • ডেথ ওভারে ৬৮ রান: ডেভিড ডেথ ওভারে (১৭–২০) ৬৮ রান করেছেন, যা আইপিএলের সর্বোচ্চ রেকর্ড হিসেবে চিহ্নিত।
  • সরফরাজ খানের রেকর্ড: সরফরাজ খান ২৫ বলে ৫০ রান করেছেন, যার সবগুলোই পাওয়ার প্লেতে করা হয়েছে। এটি আইপিএলে চার নম্বর বা নিচে নামা ব্যাটসম্যানের জন্য একটি রেকর্ড।
  • ছক্কার রেকর্ড: ম্যাচে মোট ১৪ জন ব্যাটসম্যান ছক্কা মারেছেন, যা যৌথভাবে বিশ্বের রেকর্ড হিসেবে স্বীকৃত। চেন্নাইয়ের সব ব্যাটসম্যানদের মধ্যে মাত্র তিনিই ছক্কা মারতে পারেননি।

এই ম্যাচটি আইপিএলের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে, যেখানে ব্যাটিংয়ের ধ্বংসলীলা রেকর্ড বইয়ে নতুন অধ্যায় যোগ করেছে। টিম ডেভিডের এই তাণ্ডব ক্রিকেট বিশ্বকে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে যে, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের চেহারা বদলে দেওয়া সম্ভব।