রশিদ খানের ৭০০ উইকেট মাইলফলক ও আফগানিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম জয়
রশিদ খানের ৭০০ উইকেট মাইলফলক, আফগানিস্তানের জয়

রশিদ খানের ৭০০ উইকেট মাইলফলক ও আফগানিস্তানের ঐতিহাসিক জয়

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচে আফগানিস্তানের স্পিনার রশিদ খান একটি অনন্য মাইলফলক ছুঁয়েছেন। তিনি প্রথম বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৭০০ উইকেট শিকারের নজির গড়েছেন। এই কীর্তি অর্জনের দিনেই আফগানিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাদের প্রথম জয় তুলে নিয়েছে। দিল্লির অরুণ জেটলি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আমিরাতকে ৫ উইকেটে হারিয়ে আফগান দল সুপার এইট পর্বে উঠার ক্ষীণ আশা বাঁচিয়ে রেখেছে।

ম্যাচের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ৯ উইকেটে ১৬০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায়। শোয়েব খান ৪৮ বলে ৬৮ রান এবং আলিশান শরাফু ৩১ বলে ৪০ রানের মূল্যবান ইনিংস খেলেন। শোয়েবের ইনিংসে ৬টি চার ও ৪টি ছয়ের মার ছিল, শরাফু ৩টি চার ও ২টি ছয় মারেন। আফগানিস্তানের বোলিংয়ে আজমতউল্লাহ ওমরজাই চার ওভারে ১৫ রানে ৪ উইকেট নিয়ে সেরা পারফরম্যান্স দেখান। মুজিব উর রহমান ৩১ রানে ২ উইকেট নেন, আর রশিদ খান চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে একটি উইকেট শিকার করেন।

আফগানিস্তানের জয়ের পালা

১৬১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তান শুরুতেই রহমানউল্লাহ গুরবাজকে শূন্য রানে হারায়। তবে ইব্রাহিম জাদরান ৪১ বলে ৫৩ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে জয়ের ভিত গড়ে দেন। আমিরাতের বোলার মোহাম্মদ আরফান ৩০ রানে ২ উইকেট নিয়ে কিছু চাপ তৈরি করলেও, আজমতউল্লাহ ওমরজাই ব্যাট হাতে ঝড়ো ইনিংস খেলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। তিনি ২১ বলে অপরাজিত ৪০ রান করেন, যাতে ২টি চার ও ৩টি ছয় ছিল। দারউইশ রাসুলিও ২৩ বলে ৩৩ রানের ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। শেষ পর্যন্ত আফগানিস্তান ১৯.২ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে জয়ী হয়।

গ্রুপ পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

এই জয়ের মাধ্যমে আফগানিস্তান ‘ডি’ গ্রুপে প্রথম পয়েন্ট অর্জন করেছে। তবে সুপার এইটে উঠতে তাদের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারানোর পাশাপাশি নেট রানরেটে ছাড়িয়ে যেতে হবে। অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতেরও দুই পয়েন্ট রয়েছে। তারা শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে এবং নেট রানরেটে নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তানকে পেছনে ফেলতে পারলেই কেবল সুপার এইটের আশা টিকিয়ে রাখতে পারবে। এই জয়ে ডি গ্রুপ থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার সুপার এইট নিশ্চিত হয়েছে।