বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম বেড়েছে: বিশ্ববাজারের প্রভাব স্থানীয় বাজারে
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির প্রভাব বাংলাদেশের বাজারে পড়েছে। টানা দুই দফা দাম কমানোর পর বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আবার স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে। এবার ভরিতে দাম বেড়েছে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা।
নতুন দাম নির্ধারণ
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। এই নতুন দাম সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকে সমন্বয় করা হয়েছে এবং রোববার থেকে কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
রুপার দামও বেড়েছে
সোনার সঙ্গে দেশের বাজারে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। এবার ভরিতে ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা।
পূর্ববর্তী দাম সমন্বয়
এর আগে, সবশেষ ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।
চলতি বছর ও গত বছরের পরিসংখ্যান
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩১ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৯ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১২ দফা।
আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৪ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
এই দাম পরিবর্তনগুলি অর্থনৈতিক অবস্থা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিনিয়োগকারী ও ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণের দামের এই ওঠানামা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করছে।
