ঈদুল ফিতরে বায়তুল মোকাররমে প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত, আরও চারটি জামাতের সময়সূচি ঘোষণা
বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত, চারটি জামাতের সময়সূচি

ঈদুল ফিতরে বায়তুল মোকাররমে প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত

পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রথম দিন শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৭টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বিশেষ জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমান। মুসল্লিদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো, যা ঈদের পবিত্রতা ও উৎসবের আমেজকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। জামাত শেষে দেশ ও জাতীর কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়, যা সকলের হৃদয়ে শান্তি ও আশীর্বাদ বয়ে এনেছে।

আরও চারটি জামাতের সময়সূচি ঘোষণা

ইসলামিক ফাউন্ডেশন আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে আরও চারটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সময়সূচি অনুযায়ী, দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায়, তৃতীয় জামাত সকাল ৯টায়, চতুর্থ জামাত সকাল ১০টায় এবং পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত বেলা পৌনে ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। এই জামাতগুলোতে ইমামতির দায়িত্ব পালন করবেন বিভিন্ন বিশিষ্ট ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, যা মুসল্লিদের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

ইমামদের তালিকা ও দায়িত্ব

ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক ঘোষিত ইমামদের তালিকা নিম্নরূপ:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী।
  • তৃতীয় জামাতে ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মাওলানা মো. জাকির হোসেন।
  • চতুর্থ জামাতে ইমামতি করবেন ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির ধর্মীয় প্রশিক্ষক মাওলানা যোবায়ের আহমেদ আল আযহারী।
  • পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাতে ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।

এছাড়াও, বিকল্প ইমাম হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মাওলানা শহীদুল ইসলাম প্রস্তুত থাকবেন, যা যেকোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে জামাতের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করবে। এই ব্যবস্থা মুসল্লিদের জন্য আরও সুবিধাজনক ও নিরবচ্ছিন্ন উপাসনার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঈদুল ফিতরের এই জামাতগুলো ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা বাংলাদেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের ঐক্য ও আধ্যাত্মিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় এবং তা ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।