শাহরুখ খানের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার সমীর ওয়াংখেড়ের
শাহরুখের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার সমীরের

শাহরুখ খানের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার সমীর ওয়াংখেড়ের

বলিউডের বাদশাহ শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খানকে মুক্তি দিতে ২৫ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোর (এনসিবি) সাবেক কর্মকর্তা সমীর ওয়াংখেড়ে। সোমবার (২৩ মার্চ) মুম্বাই হাইকোর্টে এ মামলার শুনানিতে তিনি এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন এবং দাবি করেন যে শাহরুখ খানের কাছ থেকে তিনি কোনো অর্থগ্রহণ করেননি।

আদালতে আইনজীবীর যুক্তি

আদালতে শুনানির সময় সাবেক কর্মকর্তা সমীর ওয়াংখেড়ের আইনজীবী যুক্তি দিয়ে বলেন, এনসিবির কাছে আসা সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই সেই রাতে ‘কর্ডেলিয়া’ ক্রুজে তল্লাশি চালানো হয়েছিল এবং আইন মেনেই আরিয়ান খানসহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে সিবিআইয়ের কাছে ঘুষ নেওয়ার কোনো যথাযথ প্রমাণ নেই, এবং এই দাবির ভিত্তিতে মামলাটি খারিজের আবেদনও জানানো হয়েছে।

পটভূমি ও পূর্ববর্তী ঘটনা

এর আগে ২০২১ সালের নভেম্বরে মুম্বাইয়ের একটি প্রমোদতরি থেকে মাদকসহ আরিয়ান খানকে গ্রেফতারের ঘটনায় ভারতজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। সেই অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সাবেক এনসিবি কর্মকর্তা সমীর ওয়াংখেড়ে। পরে কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো (সিবিআই) অভিযোগ করে যে, আরিয়ান খানকে মামলা থেকে বাঁচাতে সমীর ওয়াংখেড়ে শাহরুখ খানের কাছ থেকে ২৫ কোটি রুপি ঘুষ চেয়েছিলেন, যা পরে ১৮ কোটিতে রফা হয়েছিল। এই আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ২০২৩ সালে সমীরের বিরুদ্ধে মামলা করে সিবিআই।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আরিয়ান খানের অবস্থা ও বর্তমান পরিস্থিতি

এদিকে এ মামলার কারণে আরিয়ান খানকে এক মাস জেলে কাটাতে হয়েছিল। যদিও পরে উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে শাহরুখপুত্রকে নির্দোষ ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে তিনি পরিচালক হিসেবে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেছেন এবং তার কর্মজীবন এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে ওঠা এ দুর্নীতি মামলার শুনানি এখনো চলমান রয়েছে, এবং আদালতের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।

এই ঘটনাটি বলিউড ও ভারতীয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে জটিল সম্পর্কের একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা গণমাধ্যম ও জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।