সকালের খাবার হিসেবে ওটস এখন অনেকেরই পছন্দের তালিকায় রয়েছে। স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর হওয়ায় বিশেষ করে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ এবং সহজে খাবার প্রস্তুত করতে চান যারা, তাদের কাছে এটি বেশ জনপ্রিয়। ওজন নিয়ন্ত্রণ, হৃদযন্ত্র ভালো রাখা এবং হজমে সহায়তার জন্যও ওটসকে উপকারী মনে করা হয়।
ওটসের উপকারিতা
ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় ওটস দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং ক্ষুধা কমাতে ভূমিকা রাখে। এতে থাকা বিভিন্ন খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক। পাশাপাশি এটি হজমশক্তি উন্নত করতেও কার্যকর বলে ধরা হয়।
কার জন্য ক্ষতিকর?
তবে সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ওটস সবসময় সবার জন্য সমান উপকারী নাও হতে পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ওটস খাওয়ার পর নানা শারীরিক জটিলতাও দেখা দিয়েছে। অনেকের ক্ষেত্রে এটি খাওয়ার পর পেট ফাঁপা, গ্যাস বা অ্যালার্জির মতো প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত ওটস না খাওয়াই ভালো।
অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত ওটসের ঝুঁকি
বিশেষ করে অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত ওটস রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত ওঠানামার কারণ হতে পারে। এছাড়া ওটসে থাকা কিছু অ্যাসিডিক উপাদান শরীরে আয়রন ও জিঙ্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ শোষণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তাই শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের সতর্কতার সঙ্গে ওটস খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।



