ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাত শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত, জেলা হাসপাতালে চালু বিশেষ ওয়ার্ড
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৭ শিশুর হাম শনাক্ত, হাসপাতালে বিশেষ ওয়ার্ড

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাত শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত, জেলা হাসপাতালে চালু বিশেষ ওয়ার্ড

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাত শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। ২১ জনের নমুনা পরীক্ষার পর তাদের মধ্যে এই রোগ ধরা পড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে দুজন ইতোমধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বাকি রোগীদের চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে আলাদা ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে।

জরুরি টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন

রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে জরুরি হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ। এ সময় সিভিল সার্জন নোমান মিয়া, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক রতন কুমার ঢালী, আবাসিক মেডিকেল অফিসার গোপা পালসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিভাবকদের প্রতিক্রিয়া

টিকা নিতে আসা অভিভাবক লিপি নাগ বলেন, "হাম যেভাবে দ্রুত ছড়াচ্ছে, তা উদ্বেগজনক। তবে টিকা কার্যক্রম শুরু হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি।" আরেক অভিভাবক আইয়ুব রহমান বলেন, "রোগটি ছড়ানোর আগেই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। এখন যেন নতুন করে আর না ছড়ায়, সেই বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্বাস্থ্য বিভাগের প্রস্তুতি

সিভিল সার্জন নোমান মিয়া বলেন, এখন পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ জেলার তালিকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাম নেই। তবুও স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক রয়েছে। বর্তমানে জেলায় ৫০ হাজারের বেশি এমআর টিকা এবং দেড় লাখের বেশি ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল মজুত রয়েছে। মজুত থাকা পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম চলমান থাকবে।

বিশেষ সেন্টার চালু

জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বলেন, হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সাতজনের শরীরে রোগটি শনাক্ত হয়েছে। তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে বিশেষ সেন্টার খোলা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং রোগের বিস্তার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বিত প্রচেষ্টায় টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে, যা শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।