গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ, অংশ নিচ্ছেন ১.৬৬ লাখ পরীক্ষার্থী
গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে

গুচ্ছভুক্ত দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ইউনিটের (বিজ্ঞান) ভর্তি পরীক্ষা আজ শুক্রবার (১০ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষাটি দেশের ২১টি কেন্দ্রে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নেবেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১০২ জন পরীক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটির সচিব ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক।

আবেদনকারীদের বিশাল সংখ্যা

জানা যায়, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ২ লাখ ৮৪ হাজার ৪৮০ জন ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছেন। এর মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে (বিজ্ঞান) ১ লাখ ৬৬ হাজার ১৬২ জন, ‘বি’ ইউনিটে (মানবিক) ৯৩ হাজার ১০২ জন এবং ‘সি’ ইউনিটে ২৫ হাজার ১৮৫ জন আবেদন করেছেন। এই সংখ্যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি নির্দেশ করে, যা উচ্চশিক্ষার প্রতি শিক্ষার্থীদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহের প্রতিফলন ঘটাচ্ছে।

পরীক্ষার নির্দেশনা ও পদ্ধতি

পরীক্ষাসংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত এক ঘণ্টা আগে কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে হবে এবং প্রবেশপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে আনতে হবে। এ বছর ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পাস করতে ন্যূনতম ৩০ নম্বর পেতে হবে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর কাটা যাবে, যা পরীক্ষার্থীদের সতর্কতার সাথে উত্তর দিতে উৎসাহিত করবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আর্কিটেকচার ব্যবহারিক পরীক্ষার সময়সূচি

আর্কিটেকচার ব্যবহারিক (ড্রয়িং) পরীক্ষা হবে বেলা তিনটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত। এই পরীক্ষাটি বিশেষায়িত বিষয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, এবং অংশগ্রহণকারীদের সৃজনশীল দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ দেবে। গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সাথে পরিচালনার জন্য কর্তৃপক্ষের কঠোর পরিকল্পনা রয়েছে।

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা

গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় হল: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিপ্রবি, নোয়াখালী বিপ্রবি, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিপ্রবি, পাবনা বিপ্রবি, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিপ্রবি, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিপ্রবি, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়, নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিপ্রবি, চাঁদপুর বিপ্রবি, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিপ্রবি, পিরোজপুর বিপ্রবি ও নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়। এই প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ প্রসারিত করছে।

ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর, নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে। কর্তৃপক্ষ আশা করছেন যে, এই পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হবে, যা দেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।