যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে বিএসএফের ঠেলে পাঠানো ১০ জন নারী-পুরুষ ও শিশু এখনও সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। এ নিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হলেও কোনও সমাধান হয়নি।
ঘটনার সূত্রপাত
এর আগে রবিবার গভীর রাতে কাঁটাতারের গেট খুলে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হয়। বিজিবি ঘটনাটি জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিহত করে বিএসএফকে। স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শনিবার সন্ধ্যায় কয়েকটি ট্রাকযোগ অতিরিক্ত ফোর্সসহ বিএসএফ ১০-১২ জনকে সীমান্তে নিয়ে আসে। প্রথমেই তারা বেনাপোল সাদিপুর-রঘুনাথপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের জয়ন্তীপুর সীমান্ত দিয়ে তাদেরকে এপারে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে। বিজিবির বাধার মুখে তা ব্যর্থ হয়।
বিএসএফের ব্যর্থ প্রচেষ্টা
পরে রাতভর আশেপাশের বেশ কয়েকটি কাঁটাতারের গেট খুলে তাদেরকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করলে তাতেও ব্যর্থ হয় বিএসএফ। যখন যে গেট দিয়ে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেছিল আগেই সেখানকার সীমান্তের সার্চলাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে বিজিবি সতর্ক থাকায় সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে রাত ৩টার দিকে গেটের এপারে ঠেলে পাঠালেও লোকগুলো এখনও ভারত ভূখণ্ডেই অবস্থান করছেন।
বিজিবির সতর্কতা বৃদ্ধি
এ ঘটনার পর বেনাপোলসহ আশেপাশের সীমান্তে বিজিবি জনবল ও সতর্কতা বাড়িয়েছে বলে জানা গেছে। যশোর ৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বলেন, দিনের মধ্যে কয়েকবার পতাকা বৈঠকের চেষ্টা করা হলেও শেষে সন্ধ্যায় বিএসএফ-বিজিবি পতাকা বৈঠকে বসে। কিন্তু কোনও সমাধান ছাড়াই তা শেষ হয়। বিএসএফের ঠেলে পাঠানো ১০ জন নারী-পুরুষ ও শিশু এখনও বেনাপোল সীমান্তের সাদিপুর মাঠের ভারত-বাংলাদেশের জিরো লাইনে অবস্থান করছেন। আমরা তাদের গ্রহণ করিনি।



