ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদের জানাজা মঙ্গলবার বাদ জোহর ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে পারিবারিক গোরস্থানে বাবা-মায়ের পাশেই দাফন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
শ্যালকের বক্তব্য
তোফায়েল আহমেদের শ্যালক আলমগীর তালুকদার বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হওয়ায় গ্রামের বাড়িতে তেমন একটা লোকজনের আসা যাওয়া নেই। তবে মোবাইল করে গ্রামের বাড়ির আত্মীয়-স্বজন থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ খবর নিচ্ছেন। মঙ্গলবার বাদ জোহর ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে তোফায়েল আহমেদের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে পারিবারিক গোরস্থানে বাবা-মায়ের পাশেই দাফন করা হবে।
তিনি আরও জানান, তোফায়েল আহমেদ জীবিত থাকা অবস্থায় তার দাফনের জায়গা নির্ধারণ করে গেছেন। সেখানেই তাকে দাফন করা হবে। তার কবরও প্রস্তুত করার কাজ চলছে।
চিকিৎসা ও মৃত্যু
আলমগীর তালুকদার বলেন, তোফায়েল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে ভোলার স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে যারা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তারা দেখতে আসতেন। তাদের সঙ্গে কথাও বলেছেন। বার্ধক্যজনিত কারণে এবং একাধিক জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ায় আজ বিকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে তাকওয়া মসজিদে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে তিনি মারা যান। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পরিবারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।



