মহান স্বাধীনতা দিবসে গোবিপ্রবি বন্ধুসভার ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
স্বাধীনতা দিবসে গোবিপ্রবি বন্ধুসভার ভার্চ্যুয়াল আলোচনা

মহান স্বাধীনতা দিবসে গোবিপ্রবি বন্ধুসভার ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের প্রাক্কালে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বন্ধুসভার উদ্যোগে একটি ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৬ মার্চ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে বক্তারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা ও অতিথি বক্তা

সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন শেখের সঞ্চালনায় এই ভার্চ্যুয়াল সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান। আলোচনার শুরুতেই তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধের সব বীর শহীদ, সৈনিক, সেক্টর কমান্ডার এবং সেই নিরলস মানুষদের, যাঁদের ত্যাগ ও প্রেরণায় জাতি স্বাধীনতার পথে ধাবিত হয়েছিল।

অধ্যাপক হাবিবুর রহমানের বক্তব্য

অধ্যাপক হাবিবুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের প্রতিটি যোদ্ধা, প্রতিটি সংগঠক ও প্রেরণাদাতা আমাদের জাতির অক্সিজেনের মতো। তাঁদের আত্মত্যাগ, নেতৃত্ব ও দেশগঠনের নিষ্ঠা আমাদের স্বাধীনতার মূল ভিত্তি।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, মার্চ মাস বাঙালির ইতিহাসে এক দিকনির্দেশনার মাস। ১৯৭১ সালের পয়লা মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রতিটি দিনই ছিল জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সময়। এই মাসেই রচিত হয় স্বাধীনতার মহাকাব্য, যা বাঙালির অদম্য সাহস, আত্মত্যাগ ও ঐক্যের প্রতীক।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বন্ধুসভার সদস্যদের মতামত

বন্ধুসভার সদস্যরা তাদের আলোচনায় বলেন, মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতিসত্তার মূল ভিত্তি এবং এই চেতনা ধারণ করাই আমাদের দায়িত্ব। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ঘিরে যেকোনো অপচেষ্টা বা ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সচেতন থাকা প্রয়োজন। একটি দায়িত্বশীল ও সচেতন নাগরিক সমাজ গড়ে তুলেই আমরা সেই ত্যাগের যথার্থ মর্যাদা দিতে পারি। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে সেই অঙ্গীকারই পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

আয়োজনের তাৎপর্য

এই ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভা শুধুমাত্র একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি স্বাধীনতার চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। গোবিপ্রবি বন্ধুসভার এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধ জাগ্রত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদকসহ অন্যান্য সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণে এই আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হয়।