কয়রা সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর কয়রা গ্রামের মেধাবী শিক্ষার্থী হাবিবা সুলতানা পারিবারিক নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তার পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে। ছোটবেলায় বাবাকে হারানোর পর থেকে পরিবারের চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটছে তাদের। নতুন শিক্ষাবর্ষে অষ্টম শ্রেণির প্রয়োজনীয় বই কেনা পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না। তবু হাবিবার স্বপ্ন, সে লেখাপড়া করে ভবিষ্যতে পরিবার ও সমাজের জন্য কিছু করতে চায়।
পরিবারের দায়িত্বে মাহমুদুল হাসান
বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের পাঁচ সদস্যের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন হাবিবার বড় ভাই, ১৮ বছর বয়সী মাহমুদুল হাসান। ভ্যান চালিয়ে কোনোভাবে সংসার চালালেও বোনের পড়াশোনার খরচ জোগানো তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। পরিবারের দায়িত্ব নিতে গিয়ে দশম শ্রেণির পর তার নিজের লেখাপড়াও থেমে যায়। তবু তিনি চান, বোনের শিক্ষাজীবন যেন কোনো বাধায় না পড়ে।
বন্ধুসভার সহায়তা
এ পরিস্থিতির কথা জেনে শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতায় কয়রা বন্ধুসভার বন্ধুরা হাবিবার জন্য প্রয়োজনীয় বই ও একটি পোশাক উপহার হিসেবে তার হাতে তুলে দিয়েছেন। এ সময় প্রথম আলো কয়রা প্রতিনিধি ইমতিয়াজ উদ্দিন, বন্ধুসভার সভাপতি রাসেল আহাম্মেদ, সহসভাপতি খাদিজা সুলতানা, সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এই কার্যক্রমের মাধ্যমে কয়রা বন্ধুসভা জনকল্যাণমূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাদের এই উদ্যোগ এলাকায় শিক্ষার প্রসারে সহায়ক হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।



