যশোর বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ১৪৪ শিক্ষার্থী অতিরিক্ত সময় ও শ্রুতিলেখক পাবেন
যশোর বোর্ডে এসএসসিতে ১৪৪ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীর সুবিধা

যশোর বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুবিধা

যশোর শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষায় এবার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য উল্লেখযোগ্য সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামীকাল ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি পরীক্ষায় মোট ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৪৪ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী অতিরিক্ত সময় ও শ্রুতিলেখক সুবিধা পাবে।

সুবিধার বিস্তারিত বিবরণ

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন জানিয়েছেন, এই ১৪৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১২২ জন শুধুমাত্র অতিরিক্ত ৪৫ মিনিট সময় পাবে। অন্যদিকে, বাকি ২২ জন শিক্ষার্থী শ্রুতিলেখকসহ অতিরিক্ত ৪৫ মিনিট সময়ের সুবিধা ভোগ করবে।

ড. মতিন ব্যাখ্যা করেন, "প্রতিটি বিষয়ের পরীক্ষা সম্পন্নের জন্য নির্ধারিত সময় ৩ ঘণ্টা। ৩ ঘণ্টার পরীক্ষায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ৪৫ মিনিট সময় দেওয়ার আইন রয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের তুলনায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা প্রতি ঘণ্টায় অতিরিক্ত ১৫ মিনিট পাবে।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি আরও উল্লেখ করেন, "যেসব শিক্ষার্থীরা শারীরিকভাবে অক্ষম অর্থাৎ যারা লিখতে পারে না, তারা শ্রুতিলেখকও পাবে। এই ব্যবস্থাটি নিশ্চিত করে যে প্রতিটি শিক্ষার্থীই সমান সুযোগ পাচ্ছে।"

আবেদন ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া

যশোর শিক্ষা বোর্ডে এ বছর দুই ক্যাটাগরিতে বিশেষ সুবিধা পাওয়ার জন্য ১৪৪ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছে। ড. মতিন বলেন, "আবেদনকারীদের মধ্যে ১২২ জন অতিরিক্ত সময় চেয়েছে। আর ২২ জন অতিরিক্ত সময়সহ শ্রুতিলেখক পাওয়ার আবেদন করেছে। পরীক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে ১৪৪ জন শিক্ষার্থীকেই তাদের চাহিত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়াটি নিশ্চিত করে যে শুধুমাত্র যোগ্য শিক্ষার্থীরাই এই বিশেষ সুবিধাগুলো পাচ্ছেন। পরীক্ষা কমিটি প্রতিটি আবেদন সতর্কতার সাথে পর্যালোচনা করেছে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করেছে।

শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

এই বিশেষ সুবিধাগুলো বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় সমর্থন হিসেবে কাজ করবে। ড. মতিনের মতে, এই পদক্ষেপটি শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দিকে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি।

পরীক্ষা শুরুর আগে যশোর শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ সকল পরীক্ষার্থীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবস্থাগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য যশোর শিক্ষা বোর্ডের এই উদ্যোগটি প্রশংসনীয়। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য এই বিশেষ ব্যবস্থাগুলো তাদের শিক্ষাজীবনে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।